ঢাকা, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
দুই খাতের ৭ শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের নাভিশ্বাস
নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদায়ী সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ফারইস্ট ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং, জিএসপি ফাইন্যান্স, রিজেন্ট টেক্সটাইল, এইচআর টেক্সটাইল এবং সাফকো স্পিনিং। এছাড়া আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, বিকন ফার্মা ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকও উল্লেখযোগ্য দরপতন দেখা গেছে।
তালিকায় থাকা কোম্পানিগুলোর মধ্যে চারটি আর্থিক খাতের (ফারইস্ট ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং ও জিএসপি ফাইন্যান্স) এবং তিনটি বস্ত্র খাতের (রিজেন্ট টেক্সটাইল, এইচআর টেক্সটাইল, সাফকো স্পিনিং)। কোম্পানিগুলোর মধ্যে আর্থিক খাতের দর কমেছে ২০ শতাংশ থেকে ১১.৪৩ শতাংশ পর্যন্ত, আর বস্ত্র খাতের শেয়ারগুলো ১১.১১ শতাংশ থেকে ৭.৮৮ শতাংশ পর্যন্ত দর নেমেছে।
ফারইস্ট ফাইন্যান্স সবচেয়ে বড় পতন হয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির ২০ শতাংশ দর কমেছে। প্রাইম ফাইন্যান্সের দর কমেছে ১৪.২৯ শতাংশ, পিপলস লিজিংয়ের ১৩.৩৩ শতাংশ, আর জিএসপি ফাইন্যান্সের ১১.৪৩ শতাংশ। বস্ত্র খাতের রিজেন্ট টেক্সটাইল ১১.১১ শতাংশ, এইচআর টেক্সটাইল ১০.৮৬ শতাংশ, এবং সাফকো স্পিনিং ৭.৮৮ শতাংশ পতন হয়েছে।
যদিও দরপতন বিনিয়োগকারীদের জন্য সতর্কবার্তা, তবু বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য একটি সুযোগও দিতে পারে। পতিত দামের শেয়ারগুলো পুনঃমূল্যায়নের মাধ্যমে লাভের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে বস্ত্র খাতের শেয়ারগুলো সম্প্রতি মিশ্র প্রবণতায় ছিল, যা বাজারে স্থিতিশীলতার একটি ইঙ্গিতও দিতে পারে।
আর্থিক খাতের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক দরপতন বিশেষভাবে উদ্বেগ তৈরি করছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনেকেই কিছু কোম্পানি বন্ধ হয়ে যেতে পারে—এমন আতঙ্কের কারণে শেয়ার দর কমছে। এর পেছনে আরও কারণ হিসেবে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যাওয়া, বাজারের সমীকরণে পরিবর্তন এবং কোম্পানিগুলোর নেতিবাচাক আর্থিক ফলাফলের প্রভাবকে দেখা হচ্ছে।
তবে বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলো বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি পজিটিভ সিগন্যাল দিতে পারে। দর সামান্য কমলেও উৎপাদন ও রফতানি খাতের স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি শেয়ারগুলোকে পুনরায় তুলে ধরতে পারে। বিশেষ করে সাফকো স্পিনিংয়ের দর কমেছে তুলনামূলকভাবে কম, যা বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য ধরে রাখার সুযোগ দিচ্ছে। আর এইচআর টেক্সটাইল পর পর দুই বছর ডিভিডেন্ড না দেওয়ার কারণে জেড গ্রুপে স্থানান্তরিত হয়েছে-এমন খবরে পতনের ধাক্কায় পড়েছে।
তবে আলোচ্য ৭ কোম্পানিই জেড গ্রুপের সদস্য। অর্থাৎ কোম্পানিগুলো বছরের পর বছর বিনিয়োগকারীদের ডিভিডেন্ড দিচ্ছে না। তাই কোম্পানিগুলোর স্থান হয়েছে জেড ক্যাটাগরিতে। তবে কোম্পানিগুলোর আর্থিক পারফরমেন্স যদি ভালো হয় , তাহলে কোম্পানিগুলোর শেয়ার বড় আকারে ঘুরে দাঁড়াতে পারে।
এএসএম/
শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ২য় ম্যাচ: খেলাটি সরাসরি দেখুন (LIVE)
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের খেলা চলছে: ব্যাটিংয়ে টাইগাররা-দেখুন সরাসরি
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের রোমাঞ্চকর খেলাটি শেষ-দেখুন ফলাফল
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির সুযোগ, আবেদন শুরু
- সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টে রিট
- ফের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ
- শীর্ষ ১০ ইহুদিবিদ্বেষী প্রভাবশালীদের তালিকা প্রকাশ করল ইসরাইল
- সময় কমিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার নতুন সিদ্ধান্ত
- রেকর্ড মুনাফা করে ডিভিডেন্ডে চমক দেখাল ইস্টার্ন ব্যাংক
- কপার টি: নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি
- ৪৭তম বিসিএস ভাইভার সময়সূচি প্রকাশ
- বিনিয়োগকারীদের অর্থ সুরক্ষায় কড়াকড়ি, সিএমএসএফে নতুন সিদ্ধান্ত
- এক মাসেও অফিস মেলেনি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্যের
- শিরীন সুলতানা ও নিলোফার মনিকে ঢাবি অ্যালামনাই’র অভিনন্দন
- ৮,০০০ টাকা করে বৃত্তি দেবে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট