ঢাকা, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
শেয়ারবাজারে মার্জিন ঋণের যৌক্তিক সংস্কারের দাবি বিনিয়োগকারীদের
শেয়ারবাজারে প্রস্তাবিত নতুন মার্জিন ঋণ নীতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। বিশেষ করে কোম্পানির ক্যাটাগরি পরিবর্তন এবং মূল্য-আয় (পি/ই) অনুপাতের মানদণ্ডসংক্রান্ত বিধানগুলো নিয়ে তাঁদের ঘোর আপত্তি। বিনিয়োগকারীদের দাবি, এই নিয়মগুলো সংশোধন করা না হলে বাজারে বড় ধরনের পতন এবং তীব্র তারল্য সংকট দেখা দিতে পারে। তাই অবিলম্বে মার্জিন ঋণ নীতিমালার যৌক্তিক সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
সোমবার দুপুরে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরাম (সিএমজেএফ) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেজনর্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএমআইএ) সভাপতি এস এম ইকবাল হোসেন লিখিত বক্তব্যে এসব কথা তুলে ধরেন।
যেসব নিয়মে আপত্তি
পি/ই অনুপাতের সীমা: খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, যেসব সিকিউরিটিজের পি/ই অনুপাত ৩০-এর বেশি, সেগুলো মার্জিন ঋণের জন্য অযোগ্য হবে। যদিও কোনো খাতের গড় পি/ই ৩০-এর নিচে থাকলে সেই খাতের সব শেয়ার ঋণ পাবে। বিনিয়োগকারীদের মতে, এই নিয়ম অবাস্তব। কারণ, লোকসানি বা দুর্বল কোম্পানির কারণে অনেক সময় পুরো খাতের পি/ই অনুপাত অস্বাভাবিক হয়ে যায়, যার ফলে ভালো ও শক্তিশালী কোম্পানিও ঋণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। যেমন, ব্যাংকিং খাতের মতো কম পি/ই অনুপাতের ক্ষেত্রে এই নিয়মটি অতিরিক্ত কঠোর।
ফোর্সড সেল: প্রস্তাবিত নীতিতে বলা হয়েছে, মার্জিন অ্যাকাউন্টের কোনো 'এ' বা 'এন' ক্যাটাগরির শেয়ার 'বি' বা 'জেড' ক্যাটাগরিতে নেমে গেলে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তা বিক্রি (ফোর্সড সেল) করে দিতে হবে। এই ধরনের নিয়মকে ‘মার্কেট-কিলার’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বিনিয়োগকারীরা বলছেন, এত অল্প সময়ে ফোর্সড সেল কার্যকর হলে বাজারে তীব্র বিক্রির চাপ সৃষ্টি হবে, যা প্যানিক সেলিংয়ের জন্ম দেবে এবং বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলবে। এর বদলে কমপক্ষে তিন মাসের একটি সমন্বয় সময় দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন তাঁরা।
ঝুঁকি বাড়ার শঙ্কা: খসড়ায় আরও প্রস্তাব করা হয়েছে, তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মোট বাজার মূলধন যদি তাদের পরিশোধিত মূলধনের সাত গুণের বেশি হয়, তাহলে সর্বোচ্চ ঋণ-থেকে-ইক্যুইটি অনুপাত হবে ১:০.৫। এতে তারল্য সংকট দেখা দেবে এবং বাজার সূচক একটি সীমিত গণ্ডির মধ্যে আটকে থাকবে বলে বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন।
এর পাশাপাশি, বিনিয়োগকারীরা এমন কিছু নিয়ম তৈরির দাবি জানিয়েছেন যেন কোনো কোম্পানিকে তালিকাচ্যুত করার আগে বিনিয়োগকারীর স্বার্থ সুরক্ষিত হয় এবং দুর্নীতি বা অনিয়মের কারণে লোকসান হলে সংশ্লিষ্ট মিউচুয়াল ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপককে জবাবদিহির আওতায় আনা হয়। তাঁরা আরও বলেন, বিভ্রান্তিকর আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশকারী কোম্পানিগুলোর ফরেনসিক অডিট হওয়া উচিত।
শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ১ম টি-টোয়েন্টি-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা: দেখুন সবগুলো প্রশ্নের সঠিক সমাধান
- স্কুলছাত্রী থেকে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধার সাথে অন্তরঙ্গের পর ভিডিও কুয়েট ছাত্রের
- বিকালে আসছে ১৯ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- বুলগেরিয়ার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হলো ঢাবি শিক্ষার্থীর প্রামাণ্যচিত্র
- বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের সিনেট সদস্য হলেন ৫ সংসদ সদস্য
- বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১০০ ধাপ এগিয়েছে ঢাবি, যৌথভাবে দেশসেরা
- বদলে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম
- স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন
- এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে যা জানাল শিক্ষাবোর্ড
- ঢাবি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
- ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ বাসা থেকে উদ্ধার
- বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রে
- মিমোর মৃ'ত্যু ঘিরে সর্বশেষ যা জানা গেল
- ‘সিলটি’ ভাষাকে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা করার দাবি