ঢাকা, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সুযোগ চায় জামায়াত

২০২৬ সেপ্টেম্বর ০১ ১৫:০১:০৬

স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সুযোগ চায় জামায়াত

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনের সঙ্গে বৈঠক শেষে দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে জামায়াতের ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টা বৈঠক করে। দলটির দাবি, রহস্যজনক কারণে নির্বাচন কমিশন এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি সংবিধানে বর্ণিত নাগরিকদের সমতা ও বৈষম্যহীনতার অধিকারের পরিপন্থী বলেও দাবি তাদের।

জামায়াতের নেতাদের মতে, একজন শিক্ষক এমপিওভুক্ত হয়েও সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করতে পারবেন, অথচ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না-এটি হতে পারে না। এ সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছে দলটি।

বৈঠকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়াসহ নয় দফা লিখিত দাবি তুলে ধরা হয়। বৈঠকে সিইসির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘স্থানীয় নির্বাচনের সম্ভাব্য যে তফসিল ঘোষণা হতে যাচ্ছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে সুনির্দিষ্ট ৯টি দাবি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে হস্তান্তর করেছি। আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি। কিছু দাবি আগেও জানিয়েছিলাম। সেগুলো নিয়ে তারা কী চিন্তাভাবনা করছেন, সেটা নিয়েও আলোচনা-পর্যালোচনা করেছি।’

তিনি বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সংখ্যা ৩০ হাজারের বেশি। তাঁরা সব নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন, রাজনীতি করতে পারেন এবং ভোট দিতে পারেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও এমপিওভুক্ত অনেক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। অথচ নির্বাচন কমিশন তাঁদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য বলে সুপারিশ করেছে। এ বিষয়ে বিগত দিনেও তাঁরা আপত্তি জানিয়েছেন। এটি সরাসরি আইন ও সংবিধানের লঙ্ঘন এবং এর মাধ্যমে বৈষম্য করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমাদের এই দাবি মানা হবে। তা না হলে নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না। দলীয় হিসেবে পক্ষপাতিত্বের মধ্যে পড়ে যাবে।’ তফসিল ঘোষণার পর জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলের প্রার্থীরা যার যার মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেবেন বলেও জানান তিনি।

প্রতিনিধিদলে ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও নির্বাচন কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ, নির্বাচন কমিটির সেক্রেটারি ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন, দলের নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, নির্বাচন কমিটির সদস্য আব্দুর রব ও ইয়াসির আরাফাত।

ইমামুল

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত