ঢাকা, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
গবেষণার সাফল্য কৃষকের মাঠে পৌঁছানোর আহ্বান গাকৃবি উপাচার্যের
নিজস্ব প্রতিবেদক: গবেষণার প্রকৃত সার্থকতা তখনই অর্জিত হয়, যখন তার সুফল গবেষণাগারের গণ্ডি পেরিয়ে সরাসরি কৃষকের মাঠে পৌঁছে উৎপাদন বাড়ায়, ব্যয় কমায় এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখে। এ লক্ষ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত প্রযুক্তিকে মাঠপর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গাকৃবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান।
শনিবার (২৭ জুন) ‘গবেষণা, উদ্ভাবন, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘গাকৃবির উদ্ভাবিত প্রযুক্তির পরিচিতিকরণ’ শীর্ষক বিশেষ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্সের সেমিনার কক্ষে বহিরাঙ্গন কেন্দ্র এ সেমিনারের আয়োজন করে।
উপাচার্য বলেন, গবেষণা শুধু গবেষণাগার বা প্রকাশনায় সীমাবদ্ধ থাকলে তার পূর্ণ মূল্যায়ন হয় না। প্রকৃত মূল্য তখনই সৃষ্টি হয়, যখন উদ্ভাবিত প্রযুক্তি কৃষকের মাঠে প্রয়োগ হয়ে উৎপাদন বৃদ্ধি, ব্যয় হ্রাস এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অবদান রাখে। তিনি বলেন, সমাজের প্রয়োজনের সঙ্গে গবেষণাকে সম্পৃক্ত করতে এবং কৃষকের অভিজ্ঞতা ও আস্থাকে গবেষণার শক্তিতে রূপ দিতে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
সেমিনারের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত কৃষি প্রযুক্তি, উন্নত জাত এবং গবেষণালব্ধ জ্ঞান কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়ে টেকসই কৃষি উন্নয়নকে আরও গতিশীল করা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. সফিউল ইসলাম আফ্রাদ এবং পরিচালক (গবেষণা) প্রফেসর ড. মো. মসিউল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন বহিরাঙ্গন কেন্দ্রের পরিচালক ও সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক প্রফেসর ড. ফারহানা ইয়াসমিন।
মূল প্রবন্ধে প্রফেসর ড. ফারহানা ইয়াসমিন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত বিভিন্ন কৃষি প্রযুক্তি, উন্নত জাত, আধুনিক উৎপাদন কৌশল, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, জলবায়ু সহনশীল কৃষি উদ্ভাবন এবং গবেষণাভিত্তিক বিভিন্ন অবদান তুলে ধরেন। একই সঙ্গে এসব প্রযুক্তির মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণ, উৎপাদন ব্যয় কমানো, ফলন বৃদ্ধি এবং কৃষকের আয় বাড়ানোর সম্ভাবনার বিষয়েও তিনি আলোকপাত করেন।
সেমিনারে গাজীপুর সদর ও শ্রীপুর উপজেলার কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বদনিভাঙ্গা ও পাজুলিয়া গ্রামের ৪০ জন কৃষক-কৃষাণী, খামারি ও উদ্যোক্তা অংশ নেন। শেষ পর্বে কৃষকরা মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। পরে অংশগ্রহণকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রম, উদ্ভাবিত প্রযুক্তি এবং গবেষণা মাঠ পরিদর্শন করেন।
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৩ সেপ্টেম্বর)
- প্রজ্ঞাপনের আগে পে স্কেলের বেতন তালিকা
- পে স্কেল নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি দিল অর্থ মন্ত্রণালয়
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফল আজ
- জেনে নিন একাদশ-আলিমে ভর্তির আবেদন পদ্ধতি
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ রিলিজ স্লিপের ফল প্রকাশ
- সাত কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফরম পূরণ স্থগিত
- নবম পে-স্কেল অনুমোদন, বেতন বাড়ল কত
- জুলাই থেকেই কার্যকর নতুন পে স্কেল, বকেয়া পাবেন যেভাবে
- হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষে ৪৩ জনের চাকরির সুযোগ
- আগামী ১০ বছরে যেসব চাকরির চাহিদা বাড়বে, জেনে নিন
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৪ সেপ্টেম্বর)
- শিক্ষক নিয়োগ দেবে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
- আজ ঢাকায় সর্বোচ্চ লোডশেডিং, কোন এলাকায় কত
- ছাত্রের সঙ্গে শিক্ষিকার শারীরিক সম্পর্ক, ৭ বছরের জেল