ঢাকা, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
মাদ্রাসাশিক্ষকদের মে মাসের বেতন আটকে রাখায় ছাত্রশিবিরের তীব্র প্রতিবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক: এমপিওভুক্ত প্রায় দুই লাখ মাদ্রাসাশিক্ষক ও কর্মচারীর মে মাসের বেতন আটকে রাখা এবং মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি ধারাবাহিক ‘বিমাতাসুলভ আচরণের’ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
বুধবার (২৪ জুন) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ বলেন, সাধারণ স্কুল-কলেজের শিক্ষকরা নির্ধারিত সময়ে বেতন পেলেও মাস শেষ হতে চললেও মাদ্রাসাশিক্ষকদের বেতন না হওয়া চরম বৈষম্য ও অবহেলার উদাহরণ। তাদের ভাষ্য, মাস শেষে নির্ধারিত সময়ে বেতন-ভাতা পাওয়া সাধারণ স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের মতো মাদ্রাসাশিক্ষকদেরও একটি মৌলিক ও আইনগত অধিকার।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ দাবি করেন, মাদ্রাসাশিক্ষকদের ন্যায্য পাওনা আটকে রাখার এই দ্বিমুখী আচরণ দেশের ধর্মীয় শিক্ষাব্যবস্থাকে দুর্বল করার একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ।
তারা আরও বলেন, গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী প্রতি মাসে ৫১১ কোটি টাকার চাহিদার বিপরীতে বর্তমানে ফান্ডে মাত্র ৮৬ কোটি টাকা থাকায় এ সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘অ্যানালগ সিস্টেমের’ অজুহাত দেখিয়ে নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে চাইছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
নেতৃবৃন্দের ভাষ্য, স্কুল-কলেজের শিক্ষকরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিয়মিত বেতন পেলেও মাদ্রাসা খাতে অ্যানালগ পদ্ধতির কথা বলা হচ্ছে। এটি সরকারের অর্থসংকট ও প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনাকে আড়াল করার অপচেষ্টা, যা এখন দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিভিন্ন সরকারের বৈষম্যমূলক নীতি ও অবহেলার কারণে মাদ্রাসাশিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাদের মতে, বর্তমান সংকট কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং দীর্ঘদিনের কাঠামোগত বঞ্চনারই বহিঃপ্রকাশ।
ছাত্রশিবিরের নেতারা উল্লেখ করেন, দেশের প্রায় সব বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণ করা হলেও সমমানের স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলো এখনো জাতীয়করণের আওতায় আসেনি। পাশাপাশি ফাজিল ও কামিল স্তরের শিক্ষকরা এমপিওভুক্তি থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। উৎসব ভাতা, বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতার ক্ষেত্রেও মাদ্রাসাশিক্ষকদের সঙ্গে বৈষম্য করা হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
অবিলম্বে এ পরিস্থিতির অবসান চেয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, জুলাই মাসে দুই মাসের বেতন একসঙ্গে দেওয়ার আশ্বাস শিক্ষকদের বাস্তব সংকটের সমাধান নয়। হয়রানি এড়াতে দ্রুত সব মাদ্রাসাকে ডিজিটাল বা ইএফটি (EFT) পদ্ধতির আওতায় আনার দাবি জানান তারা।
একই সঙ্গে জরুরি তহবিল গঠন করে মে মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ, শিক্ষাব্যবস্থায় বিদ্যমান বৈষম্য দূর করা, মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি, আধুনিক কারিকুলাম বাস্তবায়ন এবং কাঠামোগত বৈষম্য নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান ছাত্রশিবিরের দুই শীর্ষ নেতা।
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আর্জেন্টিনা বনাম অস্ট্রিয়ার ম্যাচ LIVE দেখুন এখানে
- পর্তুগাল বনাম উজবেকিস্তান ম্যাচ LIVE দেখুন এখানে
- বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়ার টি-২০ ম্যাচ-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- পর্তুগাল বনাম ডিআর কঙ্গো ম্যাচ, কখন কোথায় ও কীভাবে দেখবেন লাইভ
- ইংল্যান্ড বনাম ক্রোয়েশিয়া: কখন কোথায় ও কীভাবে দেখবেন লাইভ
- ব্রাজিল বনাম হাইতি ম্যাচের নতুন সময় ঘোষণা
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষককে বরখাস্ত, দুজনকে অব্যাহতি
- আর্জেন্টিনা বনাম অস্ট্রিয়া ম্যাচ: কোথায় দেখবেন লাইভ, জেনে নিন
- স্পেন বনাম সৌদি আরব: জেনে নিন লাইভ দেখার সহজ উপায়
- কানাডা বনাম কাতার ম্যাচ: লাইভ দেখবেন যেভাবে
- আজ রাতের জন্য কিছু জরুরি সেফটি টিপস
- ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো দেশ
- আর্জেন্টিনা বনাম অস্ট্রিয়া ম্যাচ শেষ, দেখুন ফলাফল
- প্রীতি জিনতার আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস!
- ফ্রান্স বনাম ইরাক ম্যাচ, কখন কোথায় দেখবেন লাইভ