ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
প্রতিশোধ নয়, সহনশীল রাজনীতির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক: সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য, সহনশীলতা এবং দায়িত্বশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, প্রতিশোধ, প্রতিহিংসা বা অযথা বিতর্ক নয় দেশের অগ্রগতির জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়া এখন সময়ের দাবি।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বার্থবিরোধী একটি চক্র এখনো সক্রিয় এবং সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে। এ কারণে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা এবং অভ্যন্তরীণ বিভাজন এড়িয়ে চলা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জ্বালানি তেল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধি পেলেও জনদুর্ভোগ বিবেচনায় বাংলাদেশে এখনো দাম বাড়ানো হয়নি। সরকার প্রতিদিন শত শত কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে হলেও পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তারেক রহমান জানান, মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, পল্লী উন্নয়ন, সমাজসেবা ও জনপ্রশাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতি বছর স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয়। তিনি বলেন, দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় ব্যক্তিত্বদের যথাযথ সম্মান জানানো না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ইতিহাসকে ভুলভাবে মূল্যায়ন করতে পারে।
অনুষ্ঠানে প্রথমেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করেন তার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। তিনি ‘দাদু’র পক্ষে পদক গ্রহণ করেন। খালেদা জিয়াকে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষায় অবদানের জন্য এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
মরণোত্তর পুরস্কারপ্রাপ্ত সাতজনের মধ্যে আরও রয়েছেন মুক্তিযুদ্ধে অবদানে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল, সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী, সমাজসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও মাহেরীন চৌধুরী, সংস্কৃতিতে বশির আহমেদ এবং জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান। তাদের পক্ষে স্বজনরা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।
অন্যদিকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, সংস্কৃতিতে একেএম হানিফ (হানিফ সংকেত), ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবায় সাইদুল হক, গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) নিজ নিজ ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করেন।
এ বছর পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকেও স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। এগুলো হলো মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসা খাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পিকেএসএফ, জনসেবায় এসওএস শিশু পল্লী এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম ভারতের ফুটবল ম্যাচ: সরাসরি দেখুন (LIVE)
- ঢাবি অ্যালামনাই ইউকে শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
- আজ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে মাদ্রাসা শিক্ষকদের পদযাত্রা
- আজ রাত ৮ টায় ভারত বনাম বাংলাদেশের ফুটবল ম্যাচ, কোথায় ও যেভাবে দেখবেন?
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলেন ববি হাজ্জাজ
- ঢাবি ক্যাম্পাসে ববি হাজ্জাজকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
- ববি হাজ্জাজের বক্তব্যের বিরুদ্ধে মাঠে নামছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা
- ববি হাজ্জাজের বক্তব্যে ক্ষুব্ধ ঢাবি শিক্ষক, বললেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় নয়
- মাসিক ফি দিয়ে ব্যবহার করতে হবে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম
- নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে? আলোচনায় দুটি প্রস্তাব
- টাইমস হায়ার ও কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে ঢাবির জয়জয়কার
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য ববি হাজ্জাজের
- পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই: ড. নিয়াজ আহমদ
- ঈদের চামড়া বিক্রিতে হতাশ বিক্রেতারা
- ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ কবে, জানালেন প্রতিমন্ত্রী