ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২

এনআইডি তথ্য সংশোধনে নতুন নিয়ম জারি ইসির

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ১৬:৩৬:১২

এনআইডি তথ্য সংশোধনে নতুন নিয়ম জারি ইসির

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, বিশেষ করে জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে নির্বাচন কমিশন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এ ধরনের সব আবেদন আর মাঠ পর্যায়ে নিষ্পত্তি হবে না; বরং সরাসরি এনআইডি উইংয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সম্প্রতি জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। সহকারী পরিচালক মুহা. সরওয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত ওই আদেশে নতুন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) বাস্তবায়নের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনের আলোকে জন্মতারিখ অথবা জন্মতারিখসহ অন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংশোধনের আবেদনগুলো এখন থেকে ‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে গণ্য হবে। আগে এসব আবেদন আঞ্চলিক বা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা ‘ক’, ‘খ’ বা ‘গ’ ক্যাটাগরিতে বিবেচনা করে নিষ্পত্তি করতেন।

প্রজ্ঞাপন জারির আগে মাঠ পর্যায়ে জমা পড়া আবেদনগুলোর ক্ষেত্রেও নতুন নিয়ম প্রযোজ্য হবে। পূর্বনির্ধারিত ক্যাটাগরি পরিবর্তন করে সবগুলো আবেদন ‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় নথিসহ সেগুলো মহাপরিচালক পর্যায়ে উপস্থাপন করবেন।

এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য তিন দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, জন্মতারিখ সংক্রান্ত যেসব আবেদন আগে ‘ক-১’ থেকে ‘গ’ ক্যাটাগরিতে ছিল, সেগুলোর তালিকা তৈরি করে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠাতে হবে। দ্বিতীয়ত, ওই তালিকা পাওয়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আবেদনগুলোর ক্যাটাগরি পরিবর্তন করে ‘ঘ’ হিসেবে চূড়ান্ত করতে হবে। তৃতীয়ত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ সামনে থাকায় সংশোধন কার্যক্রম সীমিত— তাই জমে থাকা অনিষ্পন্ন আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইসি মনে করছে, কেন্দ্রীয়ভাবে ক্যাটাগরি নির্ধারণ ও ডিজি পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে এনআইডি সংশোধন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণ বাড়বে। যদিও মাঠ থেকে সব ফাইল প্রধান কার্যালয়ে পাঠানোর কারণে কাজের চাপ বাড়তে পারে বলে কিছুটা আশঙ্কা রয়েছে। তবু নির্বাচনকালীন সময়ে নাগরিক সেবা সচল রাখতে দ্রুত নিষ্পত্তির এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সব আঞ্চলিক, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এমজে/

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

জাতীয় এর অন্যান্য সংবাদ