ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২
ব্র্যাক ব্যাংককে টপকে ফের রাজত্বে বিএটিবিসি
মোবারক হোসেন
রিপোর্টার
মোবারক হোসেন: রেকর্ড মুনাফা ও ঐতিহাসিক বাজার মূলধনের উত্থানের পর মাত্র কয়েকদিনেই ধাক্কা খেল ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড। সদ্য বিদায়ী সপ্তাহে বিএটিবিসি-কে (ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড) টপকে বাজার মূলধনের শীর্ষ পাঁচে জায়গা বদল করলেও, সর্বশেষ শেয়ারদর পতনের কারণে আবারও ব্র্যাক ব্যাংক পেছনে চলে গেছে।
শেয়ারবাজারে ২৮ অক্টোবর (সোমবার) পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী দেখা গেছে, ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ারদর কমে যাওয়ায় কোম্পানিটির বাজার মূলধন কিছুটা সংকুচিত হয়েছে। বিপরীতে বিএটিবিসি-র শেয়ারে স্থিতিশীলতা থাকায় তারা আবারও চতুর্থ অবস্থান ফিরে পেয়েছে।
‘বাম্পার মুনাফা’ সত্ত্বেও বিনিয়োগকারীদের বিক্রয়চাপ
মাত্র কয়েকদিন আগেই ব্র্যাক ব্যাংক ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে ৫২ শতাংশ মুনাফা বৃদ্ধির খবর প্রকাশ করেছিল। নয় মাসে নিট মুনাফা দাঁড়ায় ১ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা, যা দেশের ব্যাংক খাতে এক ঐতিহাসিক রেকর্ড।
তবে আর্থিক ফলাফলের পর স্বল্প সময়ে দাম অতিরিক্ত বাড়ায় অনেক বিনিয়োগকারী লাভ তুলে নিতে শুরু করেছেন—ফলে বাজারে দেখা দিয়েছে বিক্রয়চাপ। এই কারণেই ব্যাংকটির শেয়ারদর কিছুটা সমন্বয় হয়েছে, যা সরাসরি তার বাজার মূলধনে প্রভাব ফেলেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
শীর্ষে ফের বিএটিবিসি, স্থিতিশীল ডিভিডেন্ডে আস্থা অটুট
বর্তমানে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড (বিএটিবিসি) পুনরায় বাজার মূলধনের চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে। স্থিতিশীল ডিভিডেন্ড নীতি ও দীর্ঘমেয়াদি আস্থার কারণে বিনিয়োগকারীরা বিএটিবিসি-র প্রতি তুলনামূলক বেশি নির্ভরশীল রয়েছেন।
অন্যদিকে, ব্র্যাক ব্যাংক সাময়িকভাবে পঞ্চম স্থানে নেমে গেলেও বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংকটির শক্তিশালী মৌলিক ভিত্তি এবং প্রবৃদ্ধি ধারা অব্যাহত থাকলে আবারও শীর্ষে ফেরার সম্ভাবনা অক্ষুণ্ন।
বর্তমানে শীর্ষ মূলধনের ৫ কোম্পানি
গ্রামীণফোন: ৩৮ হাজার ৮৬১ কোটি ১০ লাখ টাকা
স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস: ১৯ হাজার ১২০ কোটি ৭০ লাখ টাকা
রবি আজিয়াটা: ১৬ হাজার ২৮ কোটি ১০ লাখ টাকা
ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ: ১৩ হাজার ৯২৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
ব্র্যাক ব্যাংক – ১৩,৮০০ কোটি টাকার কাছাকাছি (সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী)
বিশ্লেষকদের মন্তব্য
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, “ব্র্যাক ব্যাংকের দর পতনটি মূলত স্বল্পমেয়াদি মুনাফা গ্রহণের ফল। কোম্পানির আর্থিক অবস্থান অত্যন্ত শক্তিশালী; তাই এটি কেবল ‘টেম্পোরারি কারেকশন’।”
তাদের মতে, এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে কাঠামোগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে—যেখানে ব্যাংক খাতের কোম্পানিগুলো এখন বহুজাতিক কোম্পানির সমান বাজার শক্তি অর্জন করছে।
এএসএম/
শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিডি থাই ফুড
- কী আছে এপস্টেইন ফাইলে? কেন এত হইচই বিশ্বজুড়ে?
- ইপিএস প্রকাশ করেছে কনফিডেন্স সিমেন্ট
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সোনালী পেপার
- ইপিএস প্রকাশ করেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইজেনারেশন
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সিলকো ফার্মা
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সাফকো স্পিনিং
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইন্দো-বাংলা ফার্মা
- নতুন জাতীয় দৈনিকে ক্যারিয়ার গড়ার বড় সুযোগ
- শব-ই-বরাতের গুরুত্ব ও আমল
- ইপিএস প্রকাশ করেছে এসিআই
- এক লাফে ভরিতে ১৪ হাজার টাকা কমলো সোনার দাম
- ইপিএস প্রকাশ করেছে গোল্ডেন সন