ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
মার্জিন ঋণের নতুন নীতি নিয়ে বিএসইসি’র সঙ্গে বৈঠক চান ব্রোকাররা
শেয়ারবাজারের অংশীজনরা — বিশেষ করে ব্রোকার-ডিলার ও মার্চেন্ট ব্যাংকাররা — মার্জিন ঋণের খসড়া নীতিমালায় তাদের আপত্তিগুলো তুলে ধরতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সঙ্গে একটি জরুরি বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছেন।
এই খসড়া নিয়মগুলো নিয়ে আলোচনার জন্য ডিএসই ব্রোকারস অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ) এর শীর্ষ ৩০ ব্রোকার রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সঙ্গে একটি বৈঠক করে। সেখানে তারা নীতিমালার বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন, যা সংশোধন করা প্রয়োজন বলে মনে করেন।
এ বিষয়ে ডিবিএ’র সভাপতি সাইফুল ইসলাম সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, "আমরা মার্জিন নীতিমালা সংস্কারকে স্বাগত জানাই, যা দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। তবে নতুন নীতিমালায় কিছু বিষয় রয়েছে যা নিয়ে আলোচনা করা জরুরি।"
তিনি আরও জানান, "শুধু ডিএসই ব্রোকাররাই নয়, বরং যেসব মার্চেন্ট ব্যাংকার তাদের ক্লায়েন্টদের মার্জিন ঋণ দেয়, তারাও এই নীতিমালা চূড়ান্ত হওয়ার আগে আলোচনা করার বিষয়ে একমত হয়েছেন।"
সম্প্রতি, বিএসইসি মার্জিন ঋণের খসড়া নীতিমালা প্রকাশ করে আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অংশীজনদের মতামত জমা দেওয়ার আহ্বান জানায়।
ব্রোকারদের মূল আপত্তি
রোববার ডিএসই'র সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ব্রোকার-ডিলাররা খসড়া নীতিমালার প্রায় এক ডজন বিষয়ের ওপর আপত্তি তুলে ধরেন। সূত্র অনুযায়ী, তাদের প্রধান আপত্তিগুলো হলো:
◉ পাঁচ দিনে ফোর্সড সেল: খসড়া নীতি অনুযায়ী, কোনো মার্জিনেবল 'এ' ক্যাটাগরি শেয়ার যদি নন-কমপ্লায়েন্সের কারণে 'জেড' বা 'বি' ক্যাটাগরিতে নেমে আসে, তাহলে তা পাঁচ দিনের মধ্যে বিক্রি করে দিতে হবে। ব্রোকাররা বলছেন, এত অল্প সময়ে শেয়ার বিক্রি করা অবাস্তব। এতে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
◉ অবসরপ্রাপ্তদের অযোগ্য ঘোষণা: খসড়া নীতিতে অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মার্জিন ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। ব্রোকাররা এই নিয়মটি পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন।
◉ বিনিয়োগের সর্বনিম্ন সীমা: নীতিমালায় বলা হয়েছে, যে সকল বিনিয়োগকারীর এক বছরে গড় বিনিয়োগ অন্তত ৫ লাখ টাকা থাকবে, তারাই মার্জিন ঋণের জন্য যোগ্য হবেন। ব্রোকাররা বলছেন, এই সীমা বাড়িয়ে অন্তত ৩০ লাখ টাকা করা উচিত।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহ আগে বিএসইসি নতুন "মার্জিন বিধিমালা (রহিত), ২০২৫"-এর একটি খসড়া প্রকাশ করে। এতে বলা হয়েছে, শেয়ার কেনার জন্য মার্জিন ঋণ নিতে হলে একজন বিনিয়োগকারীকে এক বছরে অন্তত ৫ লাখ টাকা গড় বিনিয়োগ থাকতে হবে। এছাড়া, ছাত্র, গৃহিণী এবং যাদের নিয়মিত আয় নেই এমন অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা মার্জিন ঋণ পাওয়ার যোগ্য হবেন না। এই সিদ্ধান্ত সীমিত আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে এবং বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নেওয়া হয়েছে। মার্জিন ঋণ হলো ব্রোকারেজ হাউস এবং মার্চেন্ট ব্যাংকারদের দেওয়া ঋণ, যা শেয়ার কেনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বিআইডব্লিউটিসির নতুন চেয়ারম্যান এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসি হলেন অধ্যাপক ড. সালমা বেগম
- ইউজিসির তিন সদস্যকে অব্যাহতি দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়
- পর্নো তারকা থেকে কলম্বিয়ার সিনেটর দেইসি
- শেয়ারবাজারে আস্থা ফেরাতে ১১ দফা দাবি বিনিয়োগকারীদের
- অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের ৫০ হাজার টাকা অনুদান, আবেদন যেভাবে
- বাজারের ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক
- বিআইডব্লিউটিসি'র চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করলেন এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৪ জুলাই)
- সিন্ডিকেট সভা ঘেরাও করলেন ডাকসু নেতারা
- ঢাবির লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে ২৪ শিক্ষার্থী পেলেন ডিরেক্টরস অ্যাওয়ার্ড
- ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৫ জুলাই)
- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা জানালেন নবনিযুক্ত ১২ কর্মকর্তা
- গাজী নজরুলকে বিয়েতে অনড় ছিল মেয়েটি