×

ঢাকা, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩

কৃষিপণ্য রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তি: কৃষিমন্ত্রী

২০২৬ অক্টোবর ৩১ ২০:১২:১৮

কৃষিপণ্য রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তি: কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে কৃষিপণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে দেশে গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তির সূচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) গাজীপুরের ভবানীপুরে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) আঞ্চলিক গবেষণা স্টেশনে নবনির্মিত গামা ইরেডিয়েশন সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, কৃষিপণ্যের সংরক্ষণক্ষমতা (সেলফ লাইফ) বাড়ানো, জীবাণুমুক্ত করা এবং গুণগত মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে এ প্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের কৃষিপণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে।

তিনি বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। বর্তমান সরকার কৃষিপণ্যকে দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে কাজ করছে। রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের আমের গুণগত মান ভালো। গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তির মাধ্যমে এসব আমের সংরক্ষণক্ষমতা বাড়ানো ও জীবাণুমুক্ত করা সম্ভব হলে আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির পরিমাণ বাড়বে।

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, সম্প্রতি চীন থেকে আসা একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের আম আমদানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁঠালেরও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং এর খাদ্যগুণ ভালো। তবে এসব পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা জরুরি। এ লক্ষ্য পূরণে গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ।

কৃষিপণ্যের পচন ও অপচয় রোধ এবং কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের সুরক্ষায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোতেও পর্যায়ক্রমে এ ধরনের সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যয় কিছুটা বেশি হলেও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এসব কেন্দ্রের কার্যকারিতা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে দক্ষ কারিগরি দল গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, কৃষির অর্থনীতি শক্তিশালী হলেই দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার কৃষি খাতকে সহযোগিতা করবে।

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) মহাপরিচালক ড. সারফুল হক ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম খান এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রতিনিধি ডা. জিয়াওকুন শি।

উল্লেখ্য, কৃষিপণ্য পরিশোধনে পরমাণু প্রযুক্তিনির্ভর এ সেন্টারটি ৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপন করা হয়েছে।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে কত?

ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে কত?

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দরে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম... বিস্তারিত