ঢাকা, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩

স্মার্টফোনে থাকা অ্যাপের গোপন নজরদারি ঠেকাতে ৫ জরুরি পদক্ষেপ

২০২৬ জুন ২১ ২১:২৮:৪৮

স্মার্টফোনে থাকা অ্যাপের গোপন নজরদারি ঠেকাতে ৫ জরুরি পদক্ষেপ

ডুয়া ডেস্ক: স্মার্টফোনের বিভিন্ন অ্যাপ এখন দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রয়োজনীয় নানা সেবা দেওয়ার পাশাপাশি অনেক অ্যাপ ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যও সংগ্রহ করে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে এই তথ্য সংগ্রহের পরিমাণ ব্যবহারকারীর ধারণার চেয়েও বেশি হতে পারে। তাই কোন অ্যাপ কী ধরনের তথ্য সংগ্রহ করছে, সে বিষয়ে সচেতন থাকার পাশাপাশি ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সুরক্ষায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

অ্যাপের অনুমতি (পারমিশন) যাচাই করুন

স্মার্টফোনে কোনো অ্যাপ ইনস্টল করার সময় সেটি কোন কোন তথ্য বা সুবিধা ব্যবহারের অনুমতি নিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একটি টর্চলাইট অ্যাপ যদি অবস্থান, মাইক্রোফোন, ক্যামেরা কিংবা যোগাযোগের তালিকায় প্রবেশাধিকার চায়, তবে সেটি সন্দেহের কারণ হতে পারে। কারণ, অ্যাপটির স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য এসব অনুমতির প্রয়োজন হয় না।

লোকেশন ব্যবহারের অনুমতি পর্যালোচনা করুন

অনেক অ্যাপ প্রয়োজন না থাকলেও ব্যবহারকারীর অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে চায়। তাই ফোনের সেটিংসে গিয়ে কোন অ্যাপ সব সময় লোকেশন ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছে, তা নিয়মিত পর্যালোচনা করা উচিত। প্রয়োজন না থাকলে ‘অলওয়েজ অ্যালাউ’ অপশন বন্ধ করে ‘হোয়াইল ইউজিং দ্য অ্যাপ’ নির্বাচন করলে অপ্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের ঝুঁকি কমে।

মাইক্রোফোন ও ক্যামেরা ব্যবহারে সতর্ক থাকুন

বিভিন্ন অ্যাপ ইনস্টলের সময় মাইক্রোফোন ও ক্যামেরা ব্যবহারের অনুমতি নিয়ে থাকে। কিন্তু পরে অনেক ক্ষেত্রেই সেই অনুমতির প্রয়োজন থাকে না। তাই নিয়মিতভাবে এসব অনুমতি পর্যালোচনা করে যেসব অ্যাপের মাইক্রোফোন বা ক্যামেরা ব্যবহারের প্রয়োজন নেই, সেগুলোর অনুমতি বাতিল করা উচিত।

প্রাইভেসি ড্যাশবোর্ড ব্যবহার করুন

অ্যান্ড্রয়েডের প্রাইভেসি ড্যাশবোর্ড এবং আইফোনের প্রাইভেসি সেটিংস ব্যবহারকারীদের জানতে সাহায্য করে, সাম্প্রতিক সময়ে কোন অ্যাপ অবস্থান, ক্যামেরা, মাইক্রোফোন বা যোগাযোগের তালিকা ব্যবহার করেছে। ফলে নিয়মিত এই সুবিধা ব্যবহার করলে কোনো অ্যাপ গোপনে তথ্য সংগ্রহ করছে কি না, সে বিষয়ে ধারণা পাওয়া যায়।

অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ মুছে ফেলুন

অনেক সময় দীর্ঘদিন ব্যবহার না করা অ্যাপও স্মার্টফোনে থেকে যায়। এসব অ্যাপ পূর্বে দেওয়া অনুমতির মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। তাই যেসব অ্যাপের আর প্রয়োজন নেই, সেগুলো নিয়মিত মুছে ফেললে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা বাড়ে এবং অপ্রয়োজনীয় নজরদারির ঝুঁকিও কমে।

ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের নিয়মিত অ্যাপের অনুমতি পর্যালোচনা, প্রাইভেসি সেটিংস ব্যবহার এবং অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ অপসারণের অভ্যাস গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন প্রযুক্তিবিদেরা। এতে ডিজিটাল গোপনীয়তা রক্ষার পাশাপাশি সাইবার ঝুঁকিও অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২০ জুন)

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২০ জুন)

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের স্বর্ণবাজারে ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির খবর এসেছে। টানা দুই দফা মূল্যবৃদ্ধি এবং এক দফা ভ্যাট সমন্বয়ের পর এবার... বিস্তারিত