ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ঈদের প্রধান জামাতে দেশ-জাতি-বিশ্বের মঙ্গল ও শান্তি কামনা
নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোরের আলো ফুটতেই রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দান ভরে ওঠে হাজারো মুসল্লির পদচারণায়। ঈদুল আজহার প্রধান জামাতে অংশ নিতে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও ভিড় করেন সেখানে। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে ৭টায় জাতীয় ঈদগাহে দেশের প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মাওলানা মুফতি মো. আবদুল মালেক।
প্রধান এই জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেন। এছাড়া জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
নামাজ শেষে অনুষ্ঠিত মোনাজাতে মুসলিম উম্মাহর শান্তি, দেশের উন্নয়ন, সুখ-সমৃদ্ধি এবং বিশ্বশান্তি কামনা করা হয়। একই সঙ্গে ফিলিস্তিন ও ইরানের নির্যাতিত মুসলমানদের জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।
মোনাজাতে সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে এবং বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়া হামের ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতদের জন্যও দোয়া করা হয়। পাশাপাশি সকল মৃত ব্যক্তির কবরের আজাব মাফ এবং জীবিতদের গুনাহ ক্ষমার আবেদন জানানো হয় মহান আল্লাহর কাছে।
এর আগে খুতবায় মুসল্লিদের উদ্দেশে ‘মনের পশুকে কোরবানি’ দেওয়ার আহ্বান জানান খতিব মাওলানা আবদুল মালেক। তিনি দেশ ও জাতির অগ্রগতি, নৈতিকতা এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এবার জাতীয় ঈদগাহে ১২১টি কাতারে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির একসঙ্গে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়। এর মধ্যে ভিআইপি পুরুষদের জন্য ২৫০ জন এবং নারীদের জন্য ৮০ জনের পৃথক ব্যবস্থা রাখা হয়। সাধারণ মুসল্লিদের জন্যও ছিল আলাদা কাতার ও সুব্যবস্থা।
নারী মুসল্লিদের জন্য পৃথক প্রবেশপথ, ওজুখানা এবং নামাজের নির্ধারিত স্থান রাখা হয়। প্রায় ৩১ হাজার পুরুষ এবং সাড়ে ৩ হাজার নারী মুসল্লির জন্য স্থান নির্ধারণ করা হয়েছিল।
ঈদগাহের বিশাল প্যান্ডেল নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে ৪৩ হাজারের বেশি বাঁশ ও ১৫ টনেরও বেশি রশি। বৃষ্টি থেকে সুরক্ষার জন্য টাঙানো হয় প্রায় ১ হাজার ৯০০ উন্নতমানের ত্রিপল। পুরো মাঠ আলোকিত রাখতে স্থাপন করা হয় ৯০০ টিউবলাইট।
গরমের কথা মাথায় রেখে প্যান্ডেলের ভেতরে ১ হাজার ১০০টির বেশি ফ্যান স্থাপন করা হয়। ভিআইপি অংশে রাখা হয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও। পুরো মাঠজুড়ে বিছানো হয় কার্পেট।
মুসল্লিদের যাতায়াতে সুবিধার জন্য প্রবেশ ও বহির্গমনে রাখা হয় একাধিক গেট। প্রবেশের জন্য চারটি এবং বের হওয়ার জন্য সাতটি পথ নির্ধারণ করা হয়, যাতে নামাজ শেষে সহজেই মুসল্লিরা বের হতে পারেন।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- তিন ছাত্রদল নেতাকে ষষ্ঠ গ্রেডে নিয়োগ দিল সরকার
- জাবিতে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে কারাদণ্ড
- নবম জাতীয় পে-স্কেল, কাটছাঁটের পর যত টাকা লাগছে?
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি আবেদনের সময়সূচি প্রকাশ
- শাবিপ্রবির নতুন ভিসি ড. খায়রুল ইসলাম
- দেশে কমলো সোনার দাম, ভরি কত?
- গরু-মহিষ কোরবানি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে নতুন বিধিনিষেধ বহাল
- আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ঢাবি শিক্ষার্থীদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন
- রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প
- সোমবার টানা ৯ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- ৭ কোটি মানুষ চরম সংকটের মুখে রয়েছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী
- জাল সনদে নিয়োগ: ৬৩ শিক্ষককে শোকজ মাউশির
- কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিশ্ব সুসংবাদ শুনতে পারে: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ঢাবিতে মাদারীপুর সদর ছাত্র কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা
- মাদ্রাসা শিক্ষকদের মার্চ-এপ্রিল অনুদানের চেক ছাড়