ঢাকা, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সেবায় নতুন নির্দেশনা মাউশির

২০২৬ মার্চ ০৮ ১২:০০:৪১

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সেবায় নতুন নির্দেশনা মাউশির

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন গড়ে তুলতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর অংশ হিসেবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অধীন সব স্কুল ও কলেজে পর্যায়ক্রমে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে গত ৫ মার্চ মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলের স্বাক্ষরে ১০ দফা নির্দেশনা জারি করা হয়। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে এবং ইতিবাচক জীবনধারা গড়ে তুলতে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বেসরকারি সংস্থা কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন প্রণীত ‘বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম’ ম্যানুয়াল অনুসরণ করে এই প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মাউশি ও কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজ নিজ ক্যাম্পাসে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে একদিনের প্রশিক্ষণের আয়োজন করবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠান প্রধানরা কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয় করে শিক্ষার্থীদের জন্য ‘বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম’ অনুযায়ী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আয়োজন করবেন।

প্রশিক্ষণের পর শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অনুশীলন কার্যক্রম তদারকির জন্য প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি মনিটরিং পুল গঠন করা হবে। প্রশিক্ষণ ম্যানুয়ালের পরিশিষ্ট-২(গ) অনুযায়ী এ মনিটরিং ব্যবস্থা পরিচালিত হবে এবং প্রয়োজনে কাউন্সেলিং সেবাও দেওয়া হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ম্যানুয়ালের নির্ধারিত গাইডলাইন মেনে মনিটরিং পুল তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং এর বাইরে কোনো ধরনের কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়া যাবে না।

প্রতি বছর নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদেরও এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনার ব্যবস্থা করতে হবে। অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বেশি হলে ব্যাচভিত্তিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা যাবে।

অভিভাবকদের সচেতন করতে প্রয়োজনে তাদেরও প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ রাখা হয়েছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের সহায়তায় প্রতিষ্ঠান প্রধানরা এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবেন।

প্রশিক্ষণ বাস্তবায়ন এবং পরবর্তী অনুশীলন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশ স্কাউটসের সদস্যরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করবেন। পাশাপাশি প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সমন্বয়কারীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত