ঢাকা, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২
যে ১৩ উপজেলার বাসিন্দারা ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছে
নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে একীভূত সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনতে সরকার পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে। প্রথম ধাপে দেশের ১৩টি উপজেলায় এই কার্যক্রম চালু হবে, যার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১০ মার্চ।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। শুরুতে মাত্র দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা থাকলেও পরে তা বাড়িয়ে ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় সংশ্লিষ্টরা জানান, হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে সুসংগঠিতভাবে সহায়তা দিতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করবে। এ উদ্দেশ্যে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি আলাদা মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে।
উপকারভোগী বাছাইয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ব্যবহার করা হবে। তবে আয় সংক্রান্ত নির্ভুল তথ্য না থাকায় নির্বাচিত ওয়ার্ডগুলোতে সরেজমিন যাচাই করে চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হবে। পরিবারগুলোকে চার শ্রেণিতে—হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত—বিভক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সরকারের উপদেষ্টারা বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে প্রায় অর্ধেক ক্ষেত্রে টার্গেটিং ত্রুটি থাকায় অর্থের অপচয় হচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড চালুর মাধ্যমে একাধিক ভাতা ও সহায়তা এক প্ল্যাটফর্মে এনে এ ত্রুটি কমানো সম্ভব হবে।
অর্থ বিভাগের সচিব জানান, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, টিসিবি কার্ড এবং ভ্যালনারেবল উইমেন বেনিফিট কর্মসূচি একত্রিত করার চিন্তাভাবনা রয়েছে। সুবিধাভোগী নির্ধারণে এনআইডি নম্বর, জন্মতারিখ ও মোবাইল নম্বর বাধ্যতামূলক থাকবে। পাশাপাশি দ্বৈত সুবিধা ঠেকাতে অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষা ডাটাবেজের সঙ্গে আন্তঃসংযোগ স্থাপন করা হবে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি কার্ডে একটি পরিবারের সর্বোচ্চ পাঁচজন সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। পাঁচজনের বেশি সদস্য থাকলে অতিরিক্ত সদস্যদের জন্য আলাদা কার্ড দেওয়া হবে। একজন ব্যক্তি একাধিক ভাতা নিতে পারবেন না, তবে একই পরিবারের অন্য সদস্যরা প্রাপ্য সুবিধা পাবেন।
প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাগঞ্জে।
উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে পৃথক কমিটি গঠন করে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে উপকারভোগীদের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। আর্থিক সহায়তা ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। পরিবারপ্রধান নারী হলে তিনি কার্ডের অধিকারী হবেন; তবে একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিশেষ নির্দেশনা জারি
- অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত নিয়ে যা জানা গেল
- অস্তিত্ব সংকটে ৩৭ কোম্পানি: অডিটরদের ‘লাল সংকেত’
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৭ এপ্রিল)
- গুচ্ছ ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি ফল প্রকাশ
- ৪.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে টের পেল বাংলাদেশ
- টানা ৫ দিনের বড় ছুটিতে যাচ্ছে স্কুল-কলেজ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৫ এপ্রিল)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১০ এপ্রিল)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৮ এপ্রিল)
- ইরানের ভেতরে আটকা মার্কিন ক্রু, উদ্ধার অভিযানে তুমুল লড়াই
- বিভাজন নয়, ভ্রাতৃত্বের বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের
- অনলাইন ক্লাস হতে পারে যেসব স্কুল-কলেজে
- রবি আজিয়াটার বিরুদ্ধে বিএসইসির আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু
- আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিল