ঢাকা, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২

ভোট দিলেন মেনন-ইনুসহ কারাগারের ২২ হাইপ্রোফাইল বন্দী

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৬ ১৫:০৯:২৩

ভোট দিলেন মেনন-ইনুসহ কারাগারের ২২ হাইপ্রোফাইল বন্দী

নিজস্ব প্রতিবেদক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারাবন্দীদের ভোটাধিকার প্রয়োগে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধিত ৫ হাজার ৯৬০ জন বন্দীর মধ্যে গত তিন দিনে ৩ হাজার ৬৪৭ জন তাদের ভোট প্রদান করেছেন।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে পাঠানো এক খুদে বার্তায় এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে কারা অধিদফতর।

কারা অধিদফতরের তথ্যমতে, ভোটগ্রহণের প্রথম দিন ৩ ফেব্রুয়ারি পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেন ১ হাজার ৫২১ জন কারাবন্দী। পরদিন ৪ ফেব্রুয়ারি ভোট দেন আরও ৯৮৮ জন। সর্বশেষ ৫ ফেব্রুয়ারি ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ১ হাজার ১৩৮ জন বন্দী ভোটার।

নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ করে কারাগারের ভেতরে শান্ত ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় নির্বাচন-সংক্রান্ত সব বিধিবিধান মানা হয়েছে এবং কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

কারা বিধি অনুযায়ী, প্রত্যেক বন্দী ভোটার নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকার প্রার্থীর পক্ষে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিচ্ছেন।

কারা সূত্র জানায়, দেশের সব কারাগারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিবন্ধিত ভোটার রয়েছেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, কেরানীগঞ্জে। এখানে ৬০০ জনের বেশি কারাবন্দী ভোটার রয়েছেন।

কেরানীগঞ্জ বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী সাবেক মন্ত্রী ও রাজনৈতিক নেতাসহ মোট ২২ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন এ তথ্য ইতোমধ্যে গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। এ ছাড়া সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ও সাবেক সচিবসহ আরও কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রয়েছেন। সেখানে দুটি বুথ স্থাপন করে ভোটগ্রহণ পরিচালনা করা হয়।

নির্বাচন কমিশনের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ৩ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন কারাগারে পোস্টাল ব্যালটের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ওই দিন কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে সরাসরি ভোট কার্যক্রম পরিদর্শন করেন কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন।

পরিদর্শনকালে তিনি জানান, সারা দেশের বিভিন্ন কারাগারে থাকা মোট ৫ হাজার ৯৬০ জন বন্দী ভোটার পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাদের সাংবিধানিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।

এর আগে ডাকযোগে খামযুক্ত পোস্টাল ব্যালট পেপার দেশের সব কারাগারে পাঠানো হয়। ভোটগ্রহণ কার্যক্রম মূলত ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারিত থাকলেও ৪ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি থাকায় নির্বাচন কমিশন এক দিন সময় বাড়িয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভোটগ্রহণের সুযোগ দেয়।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত