ঢাকা, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২
নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণ জানালেন রুমিন ফারহানা
নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, “আজকে বাংলাদেশে যে আরেকটা গণতান্ত্রিক পরিবর্তন হতে যাচ্ছে তার পেছনে জীবন দিয়ে ভূমিকা রেখেছেন খালেদা জিয়া। তিনি আমাকে রাজনীতিতে এনেছেন। তাঁর জীবিত থাকাকালে আমার বিরুদ্ধে কোনো বহিষ্কারের আদেশ আসেনি। এই আদেশ এসেছে তাঁর মৃত্যুর পর। যদি তিনি আজও জীবিত থাকতেন, হয়তো অনেক কিছুই অন্যরকম হতো।”
সম্প্রতি একটি ইউটিউব চ্যানেলের টকশোতে রুমিন ফারহানা এসব মন্তব্য করেন।
তিনি জানান, “গত ১৭ বছর ধরে বিশেষ করে শেষ ১৫ বছরে আমি টেলিভিশন টকশো, সংসদ ও নির্বাচনি এলাকায় ধারাবাহিকভাবে দল, দেশ ও মানুষের পক্ষে কথা বলে আসছি। বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল; সেখানে নানা হিসাব-নিকাশ থাকা স্বাভাবিক। দীর্ঘদিন পর দেশে নির্বাচন হতে যাচ্ছে, তাই বিএনপি কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট ও আসন সমঝোতায় গেছে। দলের হাতে হয়তো খুব বেশি বিকল্প ছিল না।”
রুমিন ফারহানা আরও বলেন, “২০১৭ সাল থেকে আমি দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আসনে কাজ করেছি। বিশেষ করে উকিল আব্দুল সাত্তার ‘নৌকা’ মার্কায় চলে যাওয়ার পর দল স্পষ্টভাবে জানায়, ওই আসনটি আমাকে দেওয়া হবে। নির্বাচন সামনে আসার পর হঠাৎ জানানো হয়, অন্য একটি দলের সঙ্গে জোট করা হচ্ছে। তবে এ সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আমাকে ব্যক্তিগতভাবে কিছু জানানো হয়নি।”
তিনি বলেন, “দলের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হতে পারে, কিন্তু এলাকার মানুষের প্রতি আমার অঙ্গীকারকে আমি উপেক্ষা করতে পারি না। সেই কারণেই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
রুমিন ফারহানা বলেন, “আমার এলাকার মানুষের স্পষ্ট দাবি ছিল, এবার যেন জোটের কোনো প্রার্থী না দেওয়া হয় এবং ‘ধানের শীষ’ মার্কার প্রার্থী আসে। ২০০১ সালের পর থেকে এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ছিল না। ২০১৮ সালে উকিল আব্দুল সাত্তার ধানের শীষে নির্বাচিত হলেও সংসদে মাত্র একদিন উপস্থিত ছিলেন।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সময়ে মানুষকে আর অন্ধকারে রাখা সম্ভব নয়। কে মাঠে আছে, কে নেই, কে দুঃসময়ে ফোন ধরেন, আর কে নিরাপদ দূরত্বে থাকেন সবকিছুই মানুষের চোখের সামনে। খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দিনই তার দাফনের আগে বিএনপির নয়জন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়, যা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি।”
নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা জানান, এটি এককভাবে নেওয়া হয়নি। তার এলাকার ১৯টি ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে, তাদের মতামত নিয়েই তিনি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। তিনি বলেন, “এলাকার মানুষের সঙ্গে আমার যে প্রতিশ্রুতি ও দায়বদ্ধতা, সেটিই আমার কাছে মুখ্য।”
তিনি জানান, নির্বাচন করার আগে তিনি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, দলীয় ও বেসরকারি পেশাদার প্রতিষ্ঠানের ৮-৯টি জরিপ পর্যালোচনা করেছেন। এসবের ভিত্তিতে তিনি ‘হাঁস’ মার্কায় নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেন।
বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, “এখন পর্যন্ত এলাকায় বড় কোনো বিশৃঙ্খলা দেখা যায়নি। তবে ২২ তারিখ থেকে প্রচার-প্রচারণা শুরু হলে পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হবে। ২১ তারিখ প্রতীক বরাদ্দের পর প্রকৃত চিত্র বোঝা যাবে।”
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিশেষ নির্দেশনা জারি
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৭ এপ্রিল)
- টানা ৫ দিনের বড় ছুটিতে যাচ্ছে স্কুল-কলেজ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১০ এপ্রিল)
- ৪.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে টের পেল বাংলাদেশ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৮ এপ্রিল)
- আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিল
- শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সম্ভাব্য সময় জানাল মন্ত্রণালয়
- অনলাইন ক্লাস হতে পারে যেসব স্কুল-কলেজে
- সংসদে তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের অনুমোদন
- বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের নতুন সময়সূচি প্রকাশ
- ফের বাড়ছে স্বর্ণের দাম
- সংসদ গ্যালারিতে শিক্ষার্থীদের জন্য ১৫০ আসন বরাদ্দ
- দেশে সোনা ও রুপার দামে বড় পতন
- বৈশাখী ভাতা নিয়ে সর্বশেষ যা জানাল মাউশি