ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
জাবিতে নতুন রূপে পোষ্য কোটা পুনর্বহাল
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পোষ্য ভর্তি পুনর্বহাল রেখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নাম পাল্টে প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা হিসেবে শর্তসাপেক্ষে পোষ্য ভর্তি বহালের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বুধবার (১৩ আগস্ট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভায় সব কোটা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার আওতায় শর্ত সাপেক্ষে পোষ্য ভর্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। যা বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে জনসংযোগ কার্যালয়।
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, পোষ্য কোটায় ভর্তি হতে হলে ভর্তি পরীক্ষার ৮০ নম্বরের মধ্যে ন্যূনতম ৩২ নম্বর পেতে হবে, যা আগে ছিল ২৭ নম্বর। শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর স্বামী-স্ত্রী এবং ভাইবোনদের জন্য বরাদ্দ কোটা বাতিল করে এখন থেকে কেবল সন্তানদেরই এই সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে।
প্রতিটি বিভাগে সর্বোচ্চ চারজনকে পোষ্য কোটায় ভর্তি করা যাবে। আগে আসনসংখ্যায় কোনো সীমাবদ্ধতা না থাকলেও নতুন সিদ্ধান্তে মোট ভর্তি সংখ্যা ৪০ জনের বেশি হবে না। এছাড়া কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারীর সন্তানকে তার নিজ বিভাগের পোষ্য হিসেবে ভর্তি না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পোষ্য ভর্তির ক্ষেত্রে কোনো অভিভাবকের অনিয়ম প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এমন অঙ্গীকারনামা যুক্ত করারও সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিষয়টি পরবর্তী শিক্ষাপর্ষ সভায় রিপোর্ট আকারে উপস্থাপন করে অনুমোদন ও কার্যকর করা হবে।
জানা যায়, ১৯৯৩ সালের ২৬ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির অধ্যাদেশ অনুযায়ী, শুরুতে পোষ্য কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে পোষ্যদের জন্য লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর ছিল ৪০ শতাংশ। কিন্তু ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষে পাস নম্বর কমিয়ে ৩৫ শতাংশ করা হয়। আবার ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে তা আরও কমিয়ে ৩৩ শতাংশ করা হয়। এছাড়া ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে পোষ্য কোটাধারী শিক্ষার্থীদের জন্য আবশ্যিক বিষয়ে পাস নম্বর পাওয়ার বাধ্যবাধকতা উঠিয়ে দেওয়া হয়।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীরা টানা ১৯ ঘণ্টা গণঅনশন করেন। উপাচার্যের আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত হলে অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান ঘোষণা দেন, পোষ্য কোটা থাকবে না এবং কর্মচারীদের প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা দেওয়া হবে। একইসাথে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা পুনর্বিবেচনায় একটি কমিটি গঠনের কথাও জানান।
এদিকে উপাচার্যের মৌখিক ঘোষণায় বাতিলকৃত পোষ্য কোটা পুণর্বহালের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন শিক্ষার্থীরা। পোষ্য ভর্তি পুনর্বহালের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন তারা।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বিআইডব্লিউটিসির নতুন চেয়ারম্যান এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসি হলেন অধ্যাপক ড. সালমা বেগম
- ইউজিসির তিন সদস্যকে অব্যাহতি দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়
- শেয়ারবাজারে আস্থা ফেরাতে ১১ দফা দাবি বিনিয়োগকারীদের
- অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের ৫০ হাজার টাকা অনুদান, আবেদন যেভাবে
- বাজারের ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক
- বিআইডব্লিউটিসি'র চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করলেন এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী
- ঢাবির লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে ২৪ শিক্ষার্থী পেলেন ডিরেক্টরস অ্যাওয়ার্ড
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৫ জুলাই)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৪ জুলাই)
- সিন্ডিকেট সভা ঘেরাও করলেন ডাকসু নেতারা
- ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান
- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা জানালেন নবনিযুক্ত ১২ কর্মকর্তা
- গাজী নজরুলকে বিয়েতে অনড় ছিল মেয়েটি
- আজকের খেলার সময়সূচি (২৫ জুলাই)