ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
ক্যাশ ফ্লো কমেছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ৯ কোম্পানির
দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ২৩টি কোম্পানির মধ্যে মার্চ’২৫ প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ২১টি কোম্পানি। প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে ক্যাশ ফ্লো কমেছে ৯টি কোম্পানির। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ক্যাশ ফ্লো কমে যাওয়া কোম্পানিগুলো হলো- বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার, ডরিন পাওয়ার, এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন, জিবিবি পাওয়ার, ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি, এমজেএল বিডি, পদ্মা অয়েল এবং শাহজীবাজার পাওয়ার।
বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার
তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই’২৪-মার্চ’২৫) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো হয়েছে মাইনাস ৫ টাকা ৪৮ পয়সা। আগের বছর একই সময় ক্যাশ ফ্লো ছিল মাইনাস ১ টাকা ৭৮ পয়সা।
ডরিন পাওয়ার
তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই’২৪-মার্চ’২৫) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ১১ টাকা ২৮ পয়সা। আগের বছর একই সময় ক্যাশ ফ্লো ছিল ২৪ টাকা ৯৭ পয়সা।
এনার্জিপ্যাক পাওয়ার
তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই’২৪-মার্চ’২৫) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ৯ পয়সা। আগের বছর একই সময় ক্যাশ ফ্লো ছিল ১ টাকা ৮৯ পয়সা।
জিবিবি পাওয়ার
তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই’২৪-মার্চ’২৫) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ১৪ পয়সা। আগের বছর একই সময় ক্যাশ ফ্লো ছিল ৩ টাকা ৮ পয়সা।
ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং
তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই’২৪-মার্চ’২৫) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ৫১ পয়সা। আগের বছর একই সময় ক্যাশ ফ্লো ছিল ১ টাকা ৪৪ পয়সা।
খুলনা পাওয়ার কোম্পানি
তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই’২৪-মার্চ’২৫) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ৮১ পয়সা। আগের বছর একই সময় ক্যাশ ফ্লো ছিল ৩ টাকা ২১ পয়সা।
এমজেএল বিডি
তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই’২৪-মার্চ’২৫) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো ২৯ পয়সা। আগের বছর একই সময় ক্যাশ ফ্লো ছিল ৮ টাকা ৪ পয়সা।
পদ্মা অয়েল
তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই’২৪-মার্চ’২৫) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো মাইনাস ২৭ টাকা ২১ পয়সা। আগের বছর একই সময় ক্যাশ ফ্লো ছিল ৩ টাকা ৮ পয়সা।
শাহজীবাজার পাওয়ার
তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই’২৪-মার্চ’২৫) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো ১ টাকা ৯৯ পয়সা। আগের বছর একই সময় ক্যাশ ফ্লো ছিল ৯ টাকা ৩২ পয়সা।
অনেক সময় ক্যাশ ফ্লো-এর সাময়িক হ্রাস কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ পরিকল্পনা, বড় আকারের সম্প্রসারণমূলক প্রকল্প বা কৌশলগত অধিগ্রহণের ফল হতে পারে। বিনিয়োগকারীরা প্রায়শই স্বল্পমেয়াদী তারল্য প্রবাহের চেয়ে কোম্পানির সামগ্রিক উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বাজার সম্প্রসারণের মতো ইতিবাচক দিকগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেন, যা শেষ পর্যন্ত শেয়ারের মূল্য এবং কোম্পানির আর্থিক স্থিতিশীলতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। যে কারণে সাময়িক তারল্য সংকোচন অবস্থাকে প্রায়শই অগ্রগতির একটি পর্যায় হিসেবেই দেখা হয়।
শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ১ম টি-টোয়েন্টি-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা: দেখুন সবগুলো প্রশ্নের সঠিক সমাধান
- স্কুলছাত্রী থেকে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধার সাথে অন্তরঙ্গের পর ভিডিও কুয়েট ছাত্রের
- বিকালে আসছে ১৯ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- বুলগেরিয়ার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হলো ঢাবি শিক্ষার্থীর প্রামাণ্যচিত্র
- বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের সিনেট সদস্য হলেন ৫ সংসদ সদস্য
- বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১০০ ধাপ এগিয়েছে ঢাবি, যৌথভাবে দেশসেরা
- এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে যা জানাল শিক্ষাবোর্ড
- বদলে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম
- ঢাবি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
- স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন
- ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ বাসা থেকে উদ্ধার
- বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রে
- প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগে ভাইভার সময়সূচি নিয়ে যা জানা গেল
- মিমোর মৃ'ত্যু ঘিরে সর্বশেষ যা জানা গেল