ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
ক্যাশ ফ্লো কমেছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ৯ কোম্পানির
দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ২৩টি কোম্পানির মধ্যে মার্চ’২৫ প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ২১টি কোম্পানি। প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে ক্যাশ ফ্লো কমেছে ৯টি কোম্পানির। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ক্যাশ ফ্লো কমে যাওয়া কোম্পানিগুলো হলো- বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার, ডরিন পাওয়ার, এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন, জিবিবি পাওয়ার, ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি, এমজেএল বিডি, পদ্মা অয়েল এবং শাহজীবাজার পাওয়ার।
বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার
তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই’২৪-মার্চ’২৫) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো হয়েছে মাইনাস ৫ টাকা ৪৮ পয়সা। আগের বছর একই সময় ক্যাশ ফ্লো ছিল মাইনাস ১ টাকা ৭৮ পয়সা।
ডরিন পাওয়ার
তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই’২৪-মার্চ’২৫) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ১১ টাকা ২৮ পয়সা। আগের বছর একই সময় ক্যাশ ফ্লো ছিল ২৪ টাকা ৯৭ পয়সা।
এনার্জিপ্যাক পাওয়ার
তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই’২৪-মার্চ’২৫) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ৯ পয়সা। আগের বছর একই সময় ক্যাশ ফ্লো ছিল ১ টাকা ৮৯ পয়সা।
জিবিবি পাওয়ার
তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই’২৪-মার্চ’২৫) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ১৪ পয়সা। আগের বছর একই সময় ক্যাশ ফ্লো ছিল ৩ টাকা ৮ পয়সা।
ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং
তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই’২৪-মার্চ’২৫) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ৫১ পয়সা। আগের বছর একই সময় ক্যাশ ফ্লো ছিল ১ টাকা ৪৪ পয়সা।
খুলনা পাওয়ার কোম্পানি
তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই’২৪-মার্চ’২৫) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ৮১ পয়সা। আগের বছর একই সময় ক্যাশ ফ্লো ছিল ৩ টাকা ২১ পয়সা।
এমজেএল বিডি
তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই’২৪-মার্চ’২৫) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো ২৯ পয়সা। আগের বছর একই সময় ক্যাশ ফ্লো ছিল ৮ টাকা ৪ পয়সা।
পদ্মা অয়েল
তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই’২৪-মার্চ’২৫) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো মাইনাস ২৭ টাকা ২১ পয়সা। আগের বছর একই সময় ক্যাশ ফ্লো ছিল ৩ টাকা ৮ পয়সা।
শাহজীবাজার পাওয়ার
তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই’২৪-মার্চ’২৫) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো ১ টাকা ৯৯ পয়সা। আগের বছর একই সময় ক্যাশ ফ্লো ছিল ৯ টাকা ৩২ পয়সা।
অনেক সময় ক্যাশ ফ্লো-এর সাময়িক হ্রাস কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ পরিকল্পনা, বড় আকারের সম্প্রসারণমূলক প্রকল্প বা কৌশলগত অধিগ্রহণের ফল হতে পারে। বিনিয়োগকারীরা প্রায়শই স্বল্পমেয়াদী তারল্য প্রবাহের চেয়ে কোম্পানির সামগ্রিক উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বাজার সম্প্রসারণের মতো ইতিবাচক দিকগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেন, যা শেষ পর্যন্ত শেয়ারের মূল্য এবং কোম্পানির আর্থিক স্থিতিশীলতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। যে কারণে সাময়িক তারল্য সংকোচন অবস্থাকে প্রায়শই অগ্রগতির একটি পর্যায় হিসেবেই দেখা হয়।
শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বিআইডব্লিউটিসির নতুন চেয়ারম্যান এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসি হলেন অধ্যাপক ড. সালমা বেগম
- ইউজিসির তিন সদস্যকে অব্যাহতি দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়
- শেয়ারবাজারে আস্থা ফেরাতে ১১ দফা দাবি বিনিয়োগকারীদের
- অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের ৫০ হাজার টাকা অনুদান, আবেদন যেভাবে
- বাজারের ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক
- বিআইডব্লিউটিসি'র চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করলেন এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৪ জুলাই)
- সিন্ডিকেট সভা ঘেরাও করলেন ডাকসু নেতারা
- ঢাবির লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে ২৪ শিক্ষার্থী পেলেন ডিরেক্টরস অ্যাওয়ার্ড
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৫ জুলাই)
- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা জানালেন নবনিযুক্ত ১২ কর্মকর্তা
- ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান
- গাজী নজরুলকে বিয়েতে অনড় ছিল মেয়েটি
- আজকের খেলার সময়সূচি (২৫ জুলাই)