×

ঢাকা, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

রাজনৈতিক চাপে মানহীন মেডিকেল কলেজের অনুমোদন নয়: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

২০২৬ নভেম্বর ০৪ ১৯:০৩:৩০

রাজনৈতিক চাপে মানহীন মেডিকেল কলেজের অনুমোদন নয়: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজনৈতিক চাপ কিংবা প্রভাবশালী মহলের প্রভাব খাটিয়ে মানহীন কোনো মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। চিকিৎসা শিক্ষার আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা এবং রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান তিনি।

আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে বাংলাদেশ মেডিকেল এডুকেশন অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিলের (বিএমইএসি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘অ্যাসেসর ট্রেনিং’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

ড. এম এ মুহিত বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত সরকার নতুন কোনো বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন দেয়নি। এ নিয়ে প্রভাবশালী বিভিন্ন মহল থেকে তীব্র চাপ আসছে। তবে মান ও নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করলে কাউকে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমতি দেওয়া হবে না। হাসপাতাল ছাড়া মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং রোগী না দেখেই চিকিৎসক হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি চলতে পারে না।

দেশে চিকিৎসা শিক্ষার বৈষম্য ও ভৌগোলিক অসম বণ্টনের বিষয়টি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ ঢাকা বিভাগে অবস্থিত। অথচ বাকি সাতটি বিভাগে স্পষ্ট ভারসাম্যহীনতা রয়েছে। সংসদে কিংবা রাজনৈতিক বক্তব্যে যখন-তখন নিজ জেলা বা উপজেলায় মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবি জানানোর জনপ্রিয় প্রবণতা পরিহার করে পরিকল্পিতভাবে স্বাস্থ্য অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে।

চিকিৎসা শিক্ষায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করে ড. মুহিত বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ফর মেডিকেল এডুকেশনের নিয়ম অনুসারে অ্যাক্রিডিটেশন অর্জন করতে না পারলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিকিৎসকদের বৈশ্বিক কর্মক্ষেত্র সংকুচিত হয়ে পড়বে। চিকিৎসকদের পেশাগত মর্যাদা ও আস্থা ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা এখন বাধ্যতামূলক।

বিদেশ থেকে ডিগ্রি নিয়ে আসা শিক্ষার্থীদের প্রসঙ্গেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, সম্প্রতি বিদেশ থেকে পাস করে আসা চিকিৎসকদের রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষায় মাত্র ৩০ শতাংশ উত্তীর্ণ হয়েছেন। সন্তানদের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে বিদেশে পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান যাচাই করার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ইমামুল

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

জাতীয় এর অন্যান্য সংবাদ

কিউএস এশিয়া র‌্যাঙ্কিংয়ে দেশ সেরা ঢাবি, দক্ষিণ এশিয়ায় ১৬তম

কিউএস এশিয়া র‌্যাঙ্কিংয়ে দেশ সেরা ঢাবি, দক্ষিণ এশিয়ায় ১৬তম

নিজস্ব প্রতিবেদক: যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডসের (কিউএস) ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংস: এশিয়া ২০২৭’-এ বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষস্থান... বিস্তারিত