ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্যক্তিগত প্রতিশ্রুতিকে জাতীয় ঘোষণা হিসেবে দেখবেন না: শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষার্থীদের সন্ধ্যার পর বাইরে ঘোরাফেরা করা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলমান বিতর্কের অবসান ঘটিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, নির্দিষ্ট সময়ের পর বাইরে থাকা নিয়ে তাঁর যে মন্তব্য, তা কোনো জাতীয় শিক্ষানীতি বা মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নয়। বরং এটি তাঁর নিজস্ব নির্বাচনী এলাকা কচুয়ার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য একটি স্থানীয় সামাজিক উদ্যোগ মাত্র।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, “আমি বহুবার বলেছি আমার কচুয়া নির্বাচনী এলাকায় যদি আমি নির্বাচিত হই, তাহলে ১২ তারিখের পর মাদক বন্ধ হতে হবে, ইভটিজিং বন্ধ হতে হবে, সন্ত্রাস বন্ধ হতে হবে। সারারাত রাস্তাঘাটে ঘোরাফেরা করাও বন্ধ হতে হবে। এটা আমি বারবার বলে আসছি এবং এখনো বলছি।” তিনি মনে করেন, এটি তাঁর এলাকার ভোটারদের কাছে দেওয়া একটি ব্যক্তিগত রাজনৈতিক অঙ্গীকার।
মন্ত্রী আরও জানান, কচুয়া উপজেলার প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে তিনি কেবল অভিভাবকদের সাথে সমন্বয় করে কাজ করতে বলেছেন। যদি কোনো শিক্ষার্থীকে রাতে রাস্তায় অযথা পাওয়া যায়, তবে পুলিশ যেন তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে অভিভাবকদের বিষয়টি জানায়। এটি মূলত সামাজিক সচেতনতা তৈরির একটি চেষ্টা। মন্ত্রী আক্ষেপ করে বলেন, এটি শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে কোনো জাতীয় ঘোষণা ছিল না, কিন্তু বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে অহেতুক তর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
নিজস্ব ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করে এহছানুল হক মিলন বলেন, একসময় সন্ধ্যার পর পড়ার টেবিলে বসাটাই ছিল স্বাভাবিক সংস্কৃতি। শিক্ষার্থীদের সেই পুরোনো অভ্যাসে ফিরে আসা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফিরতে হবে এ কথা আমরা বরাবরই বলে আসছি এবং বলে যাব। বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গনে আমরাও ছাত্র ছিলাম। আমরা সন্ধ্যার পর পড়ার টেবিলে বসতাম। যে গতানুগতিকভাবে আমরা শিখেছি, সেভাবেই আমরা কথা বলছি।”
শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে মন্ত্রী তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি মনে করেন, কেবল উচ্চশিক্ষায় পরিবর্তন আনলে সুফল মিলবে না। তাই প্রথম শ্রেণি থেকেই নৈতিক শিক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সামাজিক শিক্ষার একটি সমন্বিত প্যাকেজ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক স্তর থেকে এই ভিত্তি মজবুত করা গেলেই একটি উন্নত ও শিক্ষিত জাতি গঠন সম্ভব হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বিআইডব্লিউটিসির নতুন চেয়ারম্যান এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসি হলেন অধ্যাপক ড. সালমা বেগম
- ইউজিসির তিন সদস্যকে অব্যাহতি দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়
- শেয়ারবাজারে আস্থা ফেরাতে ১১ দফা দাবি বিনিয়োগকারীদের
- অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের ৫০ হাজার টাকা অনুদান, আবেদন যেভাবে
- বাজারের ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক
- বিআইডব্লিউটিসি'র চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করলেন এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৪ জুলাই)
- সিন্ডিকেট সভা ঘেরাও করলেন ডাকসু নেতারা
- ঢাবির লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে ২৪ শিক্ষার্থী পেলেন ডিরেক্টরস অ্যাওয়ার্ড
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৫ জুলাই)
- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা জানালেন নবনিযুক্ত ১২ কর্মকর্তা
- ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান
- গাজী নজরুলকে বিয়েতে অনড় ছিল মেয়েটি
- আজকের খেলার সময়সূচি (২৫ জুলাই)