ঢাকা, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্যক্তিগত প্রতিশ্রুতিকে জাতীয় ঘোষণা হিসেবে দেখবেন না: শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষার্থীদের সন্ধ্যার পর বাইরে ঘোরাফেরা করা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলমান বিতর্কের অবসান ঘটিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, নির্দিষ্ট সময়ের পর বাইরে থাকা নিয়ে তাঁর যে মন্তব্য, তা কোনো জাতীয় শিক্ষানীতি বা মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নয়। বরং এটি তাঁর নিজস্ব নির্বাচনী এলাকা কচুয়ার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য একটি স্থানীয় সামাজিক উদ্যোগ মাত্র।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, “আমি বহুবার বলেছি আমার কচুয়া নির্বাচনী এলাকায় যদি আমি নির্বাচিত হই, তাহলে ১২ তারিখের পর মাদক বন্ধ হতে হবে, ইভটিজিং বন্ধ হতে হবে, সন্ত্রাস বন্ধ হতে হবে। সারারাত রাস্তাঘাটে ঘোরাফেরা করাও বন্ধ হতে হবে। এটা আমি বারবার বলে আসছি এবং এখনো বলছি।” তিনি মনে করেন, এটি তাঁর এলাকার ভোটারদের কাছে দেওয়া একটি ব্যক্তিগত রাজনৈতিক অঙ্গীকার।
মন্ত্রী আরও জানান, কচুয়া উপজেলার প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে তিনি কেবল অভিভাবকদের সাথে সমন্বয় করে কাজ করতে বলেছেন। যদি কোনো শিক্ষার্থীকে রাতে রাস্তায় অযথা পাওয়া যায়, তবে পুলিশ যেন তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে অভিভাবকদের বিষয়টি জানায়। এটি মূলত সামাজিক সচেতনতা তৈরির একটি চেষ্টা। মন্ত্রী আক্ষেপ করে বলেন, এটি শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে কোনো জাতীয় ঘোষণা ছিল না, কিন্তু বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে অহেতুক তর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
নিজস্ব ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করে এহছানুল হক মিলন বলেন, একসময় সন্ধ্যার পর পড়ার টেবিলে বসাটাই ছিল স্বাভাবিক সংস্কৃতি। শিক্ষার্থীদের সেই পুরোনো অভ্যাসে ফিরে আসা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফিরতে হবে এ কথা আমরা বরাবরই বলে আসছি এবং বলে যাব। বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গনে আমরাও ছাত্র ছিলাম। আমরা সন্ধ্যার পর পড়ার টেবিলে বসতাম। যে গতানুগতিকভাবে আমরা শিখেছি, সেভাবেই আমরা কথা বলছি।”
শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে মন্ত্রী তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি মনে করেন, কেবল উচ্চশিক্ষায় পরিবর্তন আনলে সুফল মিলবে না। তাই প্রথম শ্রেণি থেকেই নৈতিক শিক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সামাজিক শিক্ষার একটি সমন্বিত প্যাকেজ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক স্তর থেকে এই ভিত্তি মজবুত করা গেলেই একটি উন্নত ও শিক্ষিত জাতি গঠন সম্ভব হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- ১১-২০ গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন মানবণ্টন
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর ৩০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ
- ১১-২০ গ্রেডের চাকরিতে ভাইভার নম্বর বাড়ছে
- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের ভাইভার তারিখ প্রকাশ
- নতুন পে-স্কেলে মোবাইল ভাতা পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা, কোন গ্রেডে কত?
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৭ সেপ্টেম্বর)
- বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের ৬১৮ প্রভাষকের চাকরি স্থায়ীকরণ
- নারী এশিয়া কাপ সেমিফাইনাল: কবে, কখন কোন দলের ম্যাচ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১১ সেপ্টেম্বর)
- বুটেক্সে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
- স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে মাহমুদা মিতু