ঢাকা, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২

মৃ'ত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত থেকে জনপ্রতিনিধি: সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন বাবর-পিন্টু-আজহার

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৩ ১৯:০৫:০৫

মৃ'ত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত থেকে জনপ্রতিনিধি: সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন বাবর-পিন্টু-আজহার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মো. লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টু এবং জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

নেত্রকোনা-৪ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন মো. লুৎফুজ্জামান বাবর, রংপুর-২ আসনে এ টি এম আজহারুল ইসলাম এবং টাঙ্গাইল-২ আসনে আবদুস সালাম পিন্টু। উল্লেখ্য, গণঅভ্যুত্থানের আগে এই তিনজনই ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. লুৎফুজ্জামান বাবর ও সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছিল।

টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে আবদুস সালাম পিন্টু এক লাখ ৯৮ হাজার ২১৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী হুমায়ুন কবির পেয়েছেন ৬০ হাজার ৮৭১ ভোট।

নেত্রকোনা-৪ (মোহনগঞ্জ, মদন, খালিয়াজুরি) আসনে মো. লুৎফুজ্জামান বাবর বিপুল ব্যবধানে জয় লাভ করেছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি এক লাখ ৬০ হাজার ৮০১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. আল হেলাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৮৪০ ভোট। বাবর তার প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে এক লাখ ২০ হাজার ৯৬১ ভোটে এগিয়ে আছেন।

রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আসনে জামায়াতের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলামও বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। তিনি এক লাখ ৩৯ হাজার ৬৮০ ভোট পেয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯১০ ভোট।

এ টি এম আজহারুল ইসলামকে ২০১২ সালের ২২ আগস্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট অভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতিতে তার আপিল পুনর্শুনানি হয় এবং ২০২৫ সালের ২৭ মে তাকে খালাস দেওয়া হয়।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

রাজনীতি এর অন্যান্য সংবাদ