×

ঢাকা, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে জাতীয়তাবাদের সূচনা: চবি উপাচার্য

২০২৬ নভেম্বর ০৭ ১৭:১৪:৫৮

৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে জাতীয়তাবাদের সূচনা: চবি উপাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই বহুদলীয় জাতীয়তাবাদ দর্শনের সৃষ্টি হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান। তিনি বলেন, জাতীয়তাবাদ একটি দর্শন, আর এই দর্শনের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বেলা ১১টায় উপাচার্যের দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

উপাচার্য বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাহেবের হাত ধরেই বহুদলীয় জাতীয়তাবাদ দর্শনের সৃষ্টি হয়েছিল। জাতীয়তাবাদ একটি দর্শন, আর এই দর্শনের প্রবক্তা হচ্ছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। ৭ই নভেম্বরের এই দিনেই তিনি আলোকবর্তিকা হয়ে এই দেশের মানুষের ত্রাণকর্তা হয়ে এই বিপ্লবের ফসল হিসেবে বেরিয়ে এসেছিলেন। আর তার মধ্য দিয়েই প্রথম রচিত হয়েছিল জাতীয়তাবাদ।’

জাতীয়তাবাদের দর্শন ব্যাখ্যা করে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেন, ‘জাতীয়তাবাদ একটি দর্শন। কেমন দর্শন? এই দর্শন ছিল ধর্মীয় মূল্যবোধের দর্শন, বহুদলীয় প্রজাতন্ত্রের দর্শন ও সার্বভৌমত্বের দর্শন। এই দর্শন ছিল কারো সাথে শত্রুতা নয় সকলেই বন্ধু। তবে দেশ আমার ও সার্বভৌমত্ব আমার। দেশ চলবে এই দেশের জনগণের সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে।’

৭ নভেম্বরের তাৎপর্য তুলে ধরে উপাচার্য আরও বলেন, ‘৭ নভেম্বর এটি একটি বিপ্লব এবং সংহতি দিবস। এই দুইটি শব্দের দিকে তাকালে মনে হবে যে এখানে একটা বিপ্লব হয়েছে, সেই সাথে এখন একটি সংহতিও হয়েছে। এই বিপ্লব এবং সংহতি থেকে অর্জনও হয়েছে। তাহলে কি। কারা বিপ্লব করেছে? সিপাহিরা আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা মেজর জেনারেল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করতে বিপ্লব করেছে। সংহতি কারা জানিয়েছিল? সংহতি জানিয়েছিল বিপ্লবী জনতা। উনাকে মুক্ত করে নিয়ে এসেছিলেন।’

চবির ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সালেহ্ জহুর, শাহজালাল হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জহুরুল আলম, চাকসু কেন্দ্রের পরিচালক ও ফিজিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড স্পোর্টস সায়েন্সের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান চৌধুরী এবং চবি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু নছর মুহাম্মদ আবদুল মাবুদ। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, চবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক পটভূমি, তাৎপর্য এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসে এ দিবসের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি দিবসটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ইমামুল

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

বিশ্ববিদ্যালয় এর অন্যান্য সংবাদ