×

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

‘তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব নিত্যপণ্যের দামে পড়তে দেওয়া হবে না’

২০২৬ সেপ্টেম্বর ২২ ১৬:৩৯:০৭

‘তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব নিত্যপণ্যের দামে পড়তে দেওয়া হবে না’

নিজস্ব প্রতিবেদক: জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যাতে অস্বাভাবিকভাবে না বাড়ে, সে জন্য সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন রাখার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সিলেটের লাক্কাতুরা চা বাগান মাঠে সরকারের সিএসআর তহবিলের সহযোগিতায় চা শ্রমিকদের মধ্যে রেইনকোট বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দেশে সরকার নির্ধারিত দামে জ্বালানি তেল বিক্রি হওয়ায় এর মূল্য সমন্বয়ের বিষয়টি সরাসরি মানুষের নজরে আসে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সুযোগ নিয়ে পণ্যের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো ঠেকাতে সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরবরাহ শৃঙ্খল স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি বাজারের পরিস্থিতিও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কোনো অসাধু ব্যবসায়ী যেন জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে অতিরিক্ত মুনাফা করতে না পারেন, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জ্বালানি তেল পাচারের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিষয়টি নিয়ে সচেতন রয়েছে। জেলা পর্যায়েও প্রশাসনের নজরদারি রয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে জ্বালানি তেলের দামের পার্থক্য বিবেচনায় নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তাঁর মতে, বর্তমানে বড় ধরনের মূল্য পার্থক্য না থাকায় জ্বালানি তেল পাচারের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

বিরোধী দলের সমালোচনা নিয়েও কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দলেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা থাকা প্রয়োজন। মানুষের প্রত্যাশা পূরণে রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য ও বিশ্লেষণ গঠনমূলক এবং জনস্বার্থে কার্যকর হবে এমনটাই প্রত্যাশা করেন তিনি।

সরকারি ও বেসরকারি খাতের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা প্রসঙ্গে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দীর্ঘ সময় সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন সমন্বয় না হওয়ায় পর্যায়ক্রমে বেতন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একবারে বড় ধরনের বেতন বৃদ্ধি না করে ধাপে ধাপে তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ যাতে না পড়ে, সেই বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

বেসরকারি খাতের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাধারণত বাজারের চাহিদা ও শ্রমবাজারের পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই মালিকপক্ষ মজুরি নির্ধারণ করে। কোনো প্রতিষ্ঠান বাজারদরের তুলনায় কম মজুরি দিলে সেখানে প্রয়োজনীয় শ্রমিক পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন কিছু প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে বেসরকারি খাতের উদ্যোগের আওতায় আসবে বলেও জানান তিনি।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত