×

ঢাকা, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়াতে হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

২০২৬ সেপ্টেম্বর ২১ ১৪:৩৪:৪৫

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়াতে হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রভাবে বিশ্ববাজারের পরিস্থিতির কারণে সরকার জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে বাধ্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিত। সোমবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

রোববার রাতে জ্বালানি তেলের দাম আবারও বাড়িয়েছে সরকার। ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিন সব কটির দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। এতে ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩৫ টাকা থেকে ১৫৫ টাকা হয়েছে। রোববার রাত ১২টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

বিপিসির চেয়ারম্যান ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম অনেক বেড়েছে। এ কারণে বেশি দামে তেল কিনে বিপিসিকে মাসে হাজার হাজার কোটি টাকা লোকসান দিতে হচ্ছে। তাই সরকার বাধ্য হয়ে কিছুটা হলেও তেলের দাম বাড়িয়েছে।’

অর্থনীতিবিদ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি তেলের এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব দেশের অর্থনীতিতে পড়বে। তাঁদের আশঙ্কা, এর ফলে বিভিন্ন ধরনের পণ্যের দাম বাড়তে পারে এবং মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ও বৃদ্ধি পাবে। জ্বালানি তেল কিনতে জনগণকে প্রতি মাসে আগের তুলনায় ৯০০ কোটি টাকা থেকে ১ হাজার কোটি টাকা বেশি ব্যয় করতে হবে।

তেলের দাম বাড়ানোর আগের রেকর্ড পর্যালোচনায় দেখা যায়, এবারের মূল্যবৃদ্ধি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০২২ সালের ৬ আগস্ট তৎকালীন সরকার জ্বালানি তেলের দাম ৪২ থেকে ৫১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছিল। পরে জনরোষের মুখে ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা কমানো হয়।

বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম দফায় গত ১৮ এপ্রিল ডিজেল, অকটেন, পেট্রোলসহ সব ধরনের জ্বালানির দাম ১৫ থেকে ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ বাড়িয়েছিল। এবারের মূল্য সমন্বয়ের মধ্য দিয়ে জ্বালানি তেলের দাম আবারও বাড়ানো হলো।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত