ঢাকা, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
‘জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না’
নিজস্ব প্রতিবেদক: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না বলে মন্তব্য করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সাবেক এই রাষ্ট্রপতির কোলে চড়ার সৌভাগ্য হয়েছিল তাঁর।
বুধবার (২২ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
উপাচার্য বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই নামটি শুনলেই আমার মধ্যে একটু আবেগ আসে। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল উনার কোলে চড়ার। এই মানুষটি, এই যে আমরা আমাদের জন্মভূমি বাংলাদেশ বলি, এই মানুষটির জন্ম না হলে এই বাংলাদেশের জন্ম হতো না।’
তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অমানসিক নির্যাতনে যখন বাংলার মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছিল এবং করণীয় নির্ধারণ করতে পারছিল না, তখন একজন সেনাসদস্য হিসেবে জিয়াউর রহমান জাতিকে দিকনির্দেশনা দেন। স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে তিনি জাতিকে পথ দেখিয়েছিলেন এবং শুধু ঘোষণাতেই সীমাবদ্ধ থাকেননি; জেড ফোর্স গঠন করে মুক্তিযুদ্ধেও নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
ড. রইছ উদ্দীন বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বলেই আমরা একটি দেশ, একটি মানচিত্র, স্বাধীনতা এবং একটি ভূখণ্ড পেয়েছি। জাতি যখনই ক্রান্তিলগ্নে পড়েছে, তিনি পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি না থাকলেও জাতিকে সংকট মোকাবিলার জন্য যে দর্শন দিয়ে গেছেন, তার নাম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ।’
তিনি আরও বলেন, ‘১৯৭৫ সালে ভারতীয় আধিপত্যবাদ যখন বাংলাদেশকে আবারও স্বাধীনতা হরণের পথে নিয়ে যেতে চেয়েছিল, তখন সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতাকে দ্বিতীয়বারের মতো রক্ষা করেছিলেন। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে তিনি প্রতিটি বাংলাদেশিকে একই সূত্রে গাঁথতে চেয়েছিলেন। বাকশাল থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আজ যারা রাজনীতি করছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সে সময় রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত না করলে তারা এই দেশে রাজনীতি করার সুযোগ পেতেন কি না, সেটিও গবেষণার বিষয়।’
জিয়াউর রহমানের অবদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হাজারো বছর ধরে ইসলামী আন্দোলন করেও যা করা সম্ভব ছিল না, বাংলাদেশের সংবিধানে সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে তিনি দেখিয়ে দিয়েছিলেন, শতকরা ৯০ ভাগ মুসলমানের এই দেশে মানুষের ধর্মীয় আবেগ ও প্রত্যাশাকে কীভাবে বাস্তবে রূপ দিতে হয়।’
২০২৪ সালের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, ‘২০২৪ সালে যখন দেশ আবার ক্রান্তিলগ্নে উপনীত হয়েছে, তখন অনেকেই নানা ধরনের কৃতিত্বের দাবি করেন। কিন্তু বিএনপি এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শের ধারক-বাহক কর্মীরা না থাকলে ‘২৪ সফল হতো না। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, অনেকের অস্তিত্ব সেই ফ্যাসিবাদের মধ্যেই ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলেও বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে রাজনীতি করেছেন। তাঁর ভাষ্য, যারা আপসহীন ছিলেন এবং প্রকাশ্যে রাজনীতি করেছেন, তারাই জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এর পেছনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী দর্শনের প্রেরণা কাজ করেছে। জাতীয়তাবাদী দর্শন হলো দেশকে ভালোবাসার দর্শন, নিজের অস্তিত্বকে ধারণ করার দর্শন এবং আত্মপরিচয়ের দর্শন।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আর্জেন্টিনা বনাম স্পেন ম্যাচ শুরু, LIVE দেখুন এখানে
- ২০৩০ বিশ্বকাপেও কি খেলবেন মেসি? যা বললেন স্কালোনি
- আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ডের ম্যাচ, এক ক্লিকে সরাসরি দেখুন এখানে
- আজ আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল: মোবাইলে যেভাবে দেখবেন ম্যাচ
- বিশ্বকাপ জিতলে কত টাকা পাবে চ্যাম্পিয়ন দল? জানুন বিস্তারিত
- বিশ্বকাপ ফাইনাল: কবে, কখন ও কোথায় হবে ম্যাচ?
- আর্জেন্টিনা-স্পেন বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ যেভাবে দেখবেন
- মেসির সঙ্গে কী হয়েছিল? ম্যাচ শেষে জানালেন বেলিংহাম
- আজকের খেলার সময়সূচি (১৭ জুলাই)
- আর্জেন্টিনা বনাম স্পেন বিশ্বকাপ ফাইনাল: সরাসরি দেখবেন যেভাবে
- ফাইনালে কে জিতবে আর্জেন্টিনা নাকি স্পেন, জানাল এআই
- বিশ্ব সাপ দিবস আজ
- জামায়াত এমপির অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল, ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’
- জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপে আবেদন শুরু, জেনে নিন পদ্ধতি
- এইচএসসি ৫ বিষয়ের পরীক্ষা আবার হবে?