ঢাকা, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ: শিক্ষামন্ত্রী

২০২৬ জুন ২২ ১৫:২৪:০৩

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী তিন মাসের মধ্যে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার (২২ জুন) নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ডিনস ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধান শিক্ষকদের মামলা চলমান থাকায় দেশে ৬৫ হাজারের মধ্যে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদোন্নতি পান না। তিনি জানান, তিনি সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করার পর তা আদালতের নজরে আসে। আগামী ২ জুলাই এ বিষয়ে সমাধান আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এরপরই আগামী তিন মাসের মধ্যে আরও ৫০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, কিউএস র‌্যাঙ্কিংয়ে ভালো করতে হলে প্রয়োজনীয় একাডেমিক প্রস্তুতির ঘাটতি রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি ব্লু-ইকোনোমির ধারণা প্রথম শোনার প্রসঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করে বলেন, তিনি ছাত্রদের রাজনীতির পাশাপাশি পড়াশোনায়ও উৎসাহিত করতেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গত সপ্তাহে বগুড়া ইউনিভার্সিটি বিল পাস করা হয়েছে। সেখানে নতুন নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এটি ইউরোপ ও আমেরিকার মতো একটি আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। নোয়াখালীতেও অনুরূপ একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইউজিসি চেয়ারম্যান মামুন সাহেবের কাছ থেকে বগুড়ার পর নোয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয় আধুনিকায়নের প্রস্তাব আসবে বলে তিনি আশা করেন।

মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, মাদ্রাসার শিক্ষকরা মে ও জুন মাসের বেতন এখনো পাননি। ২০১৭ সালে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (EFT) প্রকল্প নেওয়া হলেও তা এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। শুরুতে প্রায় ১০ কোটি টাকার এই প্রকল্প এখন প্রায় ৮০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, তবুও কার্যকরভাবে শেষ হয়নি। সময়ের সঙ্গে এর মেয়াদ ও ব্যয় বেড়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, স্বয়ংক্রিয় ফান্ড ট্রান্সফার (AFT/EFT) ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু না থাকায় বিশেষ করে বিগত সময়ে নিয়োগ পাওয়া প্রায় ১৭,০০০ মাদ্রাসা শিক্ষকের বেতন প্রদানে জটিলতা তৈরি হয়েছে। মাসিক বেতন বরাদ্দের যথাযথ হিসাব না থাকায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

মন্ত্রী জানান, প্রতিমাসে মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন বাবদ বিপুল অর্থের প্রয়োজন হয়, কিন্তু বাজেট বরাদ্দ সেই অনুযায়ী না থাকায় সবাইকে একসঙ্গে পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। চলতি বাজেটে প্রায় ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

জাতীয় এর অন্যান্য সংবাদ

ফের স্বর্ণের দাম বাড়ল (২২ জুন)

ফের স্বর্ণের দাম বাড়ল (২২ জুন)

নিজস্ব প্রতিবেদক: টানা দুই দফা মূল্য হ্রাসের পর আবারও দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।... বিস্তারিত