ঢাকা, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২

রামপুরা গণঅভ্যুত্থান হত্যা মামলার রায় ৪ মার্চ

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ১৩:৪৩:৫৩

রামপুরা গণঅভ্যুত্থান হত্যা মামলার রায় ৪ মার্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর রামপুরায় চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে গুলি ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আগামী ৪ মার্চ এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই তারিখ ঠিক করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম জানান, মামলাটিতে সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ মোট পাঁচজন আসামি রয়েছেন।

তিনি বলেন, গত ৩ ফেব্রুয়ারি প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। এরপর রায়ের তারিখ নির্ধারণের জন্য দিন রাখা হয়েছিল এবং আজ ট্রাইব্যুনাল ৪ মার্চকে রায় ঘোষণার দিন হিসেবে নির্ধারণ করেন।

মামলার পাঁচ আসামির মধ্যে রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার গ্রেপ্তার অবস্থায় রয়েছেন। সকালে তাকে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

চঞ্চলের আইনজীবী এরশাদুল হক বাবু বলেন, যুক্তিতর্কে সব প্রাসঙ্গিক তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে এবং তার মক্কেলের খালাস চাওয়া হয়েছে। আদালত ন্যায়বিচার করবেন বলে তারা আশা প্রকাশ করেন এবং নিরপরাধ কাউকে যেন সাজা না দেওয়া হয়, সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

অন্য পলাতক আসামিরা হলেন—খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান ও সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া। হাবিবুর রহমানসহ চার পলাতকের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী মো. আমির হোসেন আদালতে প্রতিনিধিত্ব করছেন।

এর আগে ২৯ জানুয়ারি প্রসিকিউশন তাদের যুক্তি উপস্থাপন শেষ করে। তারা দাবি করেন, সাক্ষ্য-প্রমাণ, ভিডিও ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীর জবানবন্দিতে পাঁচ আসামির সম্পৃক্ততা স্পষ্ট হয়েছে এবং তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রাপ্য।

গত বছরের ৭ আগস্ট প্রসিকিউশন ফরমাল চার্জ দাখিল করে এবং ১৮ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই প্রাণ বাঁচাতে আমির হোসেন নামে এক তরুণ রামপুরার বনশ্রী-মেরাদিয়া সড়কের পাশে একটি নির্মাণাধীন ভবনে আশ্রয় নেন। পুলিশ তাকে ধাওয়া করে এবং ছাদের কার্নিশ ধরে ঝুলে থাকা অবস্থায় এক সদস্য তার ওপর ছয় রাউন্ড গুলি ছোড়ে, এতে তিনি গুরুতর আহত হন। একই দিনে বনশ্রী এলাকায় পুলিশের গুলিতে নাদিম ও মায়া ইসলাম নিহত হন।

এমজে/

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত