ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের নিরাপত্তা ও প্রটোকল জোরদার
নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ও প্রটোকলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সাবেক সরকারপ্রধান হিসেবে প্রাপ্য প্রটোকলের পাশাপাশি তাঁর নিরাপত্তায় অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালজুড়েই এ নিরাপত্তা ও প্রটোকল বহাল থাকবে বলে জানা গেছে।
গত সোমবার বিকেলে যুক্তরাষ্ট্রের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ড. ইউনূসকে হেনস্তা করেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্র শাখার কয়েকজন নেতাকর্মী। ঘটনার ভিডিও ও খবর দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে নিন্দার ঝড় ওঠে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ওয়াশিংটনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস একজন সাবেক সরকারপ্রধান ও নোবেলজয়ীকে হেনস্তার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরকে জানিয়েছে। এ ছাড়া নিউইয়র্ক সিটি পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে দূতাবাস।গতকাল বুধবার রাতে নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক পিটার আগামীর সময়কে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ড. ইউনূস স্যারের নিরাপত্তা ও প্রটোকলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘স্যার যুক্তরাষ্ট্রে আসছেন, আমাদের আগে কোনো পক্ষ থেকেই জানানো হয়নি। এ কারণে তাঁর প্রটোকলের ঘাটতি ছিল। আমরা জানার পর ব্যবস্থা নিয়েছি। স্যারের সঙ্গে আমাদের এখন সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে।’
ড. ইউনূস বর্তমানে কোথায় আছেন, জানতে চাইলে কনসাল জেনারেল বলেন, ‘স্যার এখন নিউইয়র্ক স্টেটের বাইরে অন্য একটি স্টেটে রয়েছেন। মঙ্গলবার আমি নিজে ড্রাইভ করে স্যারকে সেখানে পৌঁছে দিয়েছি। সেখানে তিনি একটি কর্মসূচিতে রয়েছেন।’
জেএফকে বিমানবন্দরে হেনস্তার ঘটনা সম্পর্কে মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক পিটার বলেন, ‘আমরা সিটির পুলিশ ডিপার্টমেন্টের ডিপ্লোমেটিক পুলিশ ও পোর্ট অথরিটির (জেএফকে বিমানবন্দরের দায়িত্বে) কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়েছি। তাদের পক্ষ থেকে আপডেটের অপেক্ষায় রয়েছি আমরা।’
এর আগে গত মঙ্গলবার জেএফকে বিমানবন্দরের ঘটনায় কঠোর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশ সরকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘স্থগিত থাকা (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সন্ত্রাসী রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহভাজন একদল অপরাধী নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে হয়রানির পেছনে রয়েছেন বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।’
ঘটনার সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজান চৌধুরী, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাখাওয়াত হোসেন চঞ্চল, জ্যাকসন হাইটস আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর কায়সার এবং মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী। তাঁরা আগে থেকেই বিমানবন্দরে অবস্থান করছিলেন।
মিজান চৌধুরী ২০২৫ সালে ড. ইউনূসের জাতিসংঘ সফরের সময় তাঁর সফরসঙ্গী ও এনসিপি নেতা আখতার হোসেনকে ডিম মেরেছিলেন। এরপর তিনি যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ পান।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ৬৪ জেলায় পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগ, আবেদন ১৩ অক্টোবর
- সরকারি বাঙলা কলেজে উপবৃত্তি আবেদনে শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রদলের নিরব
- আধুনিক প্রযুক্তিতে শিল্প এগিয়ে নিতে হবে: রিজভী
- এস আলমের কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল
- প্রবাসের ঠিকানা বদলায় শিকড়ের পরিচয় নয়
- ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানা গেল
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১১ অক্টোবর)
- বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডে ৭ ক্যাটাগরিতে ৩৮ পদে নিয়োগ
- ফ্যামিলি কার্ডের আশায় টিপসই দিয়ে ‘বিয়ে হয়ে গেল’ আছিয়ার
- বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাবির ২২ শিক্ষক-গবেষক
- বিআরটিসির নতুন চেয়ারম্যান মীর আহমেদ তারিকুল ওমর
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১২ অক্টোবর)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১০ অক্টোবর)
- বাতিল পরীক্ষার নতুন সূচি দিল যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর
- শেখ হাসিনার ফেরার ঘোষণায় দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযান