ঢাকা, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
ফের পেছাল হাদি হ’ত্যার তদন্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২০ আগস্ট নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। নির্ধারিত সময়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় ঢাকার একটি আদালত এ নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এদিন মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা তা আদালতে দাখিল করতে পারেননি। ফলে আদালত পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন জমার জন্য আগামী ২০ আগস্ট নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি মামলার বাদী ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) জমা দেওয়া অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজ ও নির্বাচনী প্রচারণা শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উদ্দেশে রওনা হন শরিফ ওসমান হাদি। দুপুর প্রায় ২টা ২০ মিনিটে পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে বহনকারী অটোরিকশাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে ১৫ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। এরপর হত্যাচেষ্টার মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।
ঘটনার দুই দিন পর, ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় আবদুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। শুরুতে মামলায় হত্যাচেষ্টা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, বিপজ্জনক অস্ত্র ব্যবহার ও অপরাধে সহায়তার অভিযোগ আনা হলেও হাদির মৃত্যুর পর তদন্ত হত্যা ধারায় পরিচালিত হয়।
গত ৬ জানুয়ারি তদন্ত শেষে গোয়েন্দা পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এতে সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, ফয়সাল করিম মাসুদসহ মোট ১৭ জনকে আসামি করা হয়। অভিযোগপত্রে বলা হয়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত ও ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যও এতে জড়িত ছিল।
এছাড়া অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগীরা পরিকল্পনা করে হাদির নির্বাচনী প্রচারণায় অনুপ্রবেশের মাধ্যমে হামলা চালায়। মামলার কয়েকজন আসামি, যার মধ্যে ফয়সাল করিম মাসুদও রয়েছেন, এখনও পলাতক।
পুনঃতদন্তের অগ্রগতি জানতে আগামী ২০ আগস্ট মামলাটি আবারও আদালতে উপস্থাপন করা হবে। ওই দিন তদন্তকারী সংস্থার প্রতিবেদন দাখিলের অপেক্ষায় রয়েছে আদালত।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৩ সেপ্টেম্বর)
- প্রজ্ঞাপনের আগে পে স্কেলের বেতন তালিকা
- পে স্কেল নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি দিল অর্থ মন্ত্রণালয়
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফল আজ
- ফের কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ৭১১৫ টাকা
- জেনে নিন একাদশ-আলিমে ভর্তির আবেদন পদ্ধতি
- সাত কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফরম পূরণ স্থগিত
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ রিলিজ স্লিপের ফল প্রকাশ
- জুলাই থেকেই কার্যকর নতুন পে স্কেল, বকেয়া পাবেন যেভাবে
- হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষে ৪৩ জনের চাকরির সুযোগ
- শিক্ষক নিয়োগ দেবে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
- আজ ঢাকায় সর্বোচ্চ লোডশেডিং, কোন এলাকায় কত
- এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুখবর
- আজকের খেলার সময়সূচি (৩১ আগস্ট)
- নবম পে-স্কেল অনুমোদন, বেতন বাড়ল কত