ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩

ফের পেছাল হাদি হ’ত্যার তদন্ত 

২০২৬ জুলাই ১৫ ১৭:৩৯:০০

ফের পেছাল হাদি হ’ত্যার তদন্ত 

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২০ আগস্ট নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। নির্ধারিত সময়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় ঢাকার একটি আদালত এ নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।

আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এদিন মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা তা আদালতে দাখিল করতে পারেননি। ফলে আদালত পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন জমার জন্য আগামী ২০ আগস্ট নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি মামলার বাদী ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) জমা দেওয়া অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজ ও নির্বাচনী প্রচারণা শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উদ্দেশে রওনা হন শরিফ ওসমান হাদি। দুপুর প্রায় ২টা ২০ মিনিটে পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে বহনকারী অটোরিকশাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে ১৫ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। এরপর হত্যাচেষ্টার মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।

ঘটনার দুই দিন পর, ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় আবদুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। শুরুতে মামলায় হত্যাচেষ্টা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, বিপজ্জনক অস্ত্র ব্যবহার ও অপরাধে সহায়তার অভিযোগ আনা হলেও হাদির মৃত্যুর পর তদন্ত হত্যা ধারায় পরিচালিত হয়।

গত ৬ জানুয়ারি তদন্ত শেষে গোয়েন্দা পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এতে সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, ফয়সাল করিম মাসুদসহ মোট ১৭ জনকে আসামি করা হয়। অভিযোগপত্রে বলা হয়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত ও ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যও এতে জড়িত ছিল।

এছাড়া অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগীরা পরিকল্পনা করে হাদির নির্বাচনী প্রচারণায় অনুপ্রবেশের মাধ্যমে হামলা চালায়। মামলার কয়েকজন আসামি, যার মধ্যে ফয়সাল করিম মাসুদও রয়েছেন, এখনও পলাতক।

পুনঃতদন্তের অগ্রগতি জানতে আগামী ২০ আগস্ট মামলাটি আবারও আদালতে উপস্থাপন করা হবে। ওই দিন তদন্তকারী সংস্থার প্রতিবেদন দাখিলের অপেক্ষায় রয়েছে আদালত।

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৭ আগস্ট)

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৭ আগস্ট)

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বাজারে সর্বশেষ সমন্বয় করা দামেই সোমবার (১৭ আগস্ট) স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ২... বিস্তারিত