ঢাকা, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ধর্মীয় উগ্রবাদ প্রতিরোধে মডেল মসজিদকে কাজে লাগাচ্ছে সরকার
নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর উপজেলার কিছু এলাকায় তরুণদের ধর্মীয় উগ্রবাদ, অপপ্রচার ও সামাজিক বিভাজন থেকে দূরে রাখতে স্থানীয় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোকে কার্যকর ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ধর্মবিষয়কমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।
সোমবার (১৩ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৩তম দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
লিখিত প্রশ্নে রুমিন ফারহানা জানতে চান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) এবং বিজয়নগর উপজেলার আংশিক এলাকায় ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সামাজিক বিভাজন প্রতিরোধে তরুণদের জন্য সচেতনতামূলক ধর্মীয় শিক্ষা ও সম্প্রীতিবিষয়ক কার্যক্রম গ্রহণে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে।
জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) এবং বিজয়নগর উপজেলার আংশিক এলাকায় সামাজিক শান্তি, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা অক্ষুণ্ন রাখতে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক। এ লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তরুণদের ধর্মীয় উগ্রবাদ, অপপ্রচার ও সামাজিক বিভাজন থেকে দূরে রেখে ইসলামের প্রকৃত শান্তির বাণী ও নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে স্থানীয় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোকে মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, যুবসমাজের মনস্তাত্ত্বিক বিকাশ এবং উগ্রবাদ প্রতিরোধে স্থানীয় আলেম, ওলামা, ইমাম ও খতিবদের মাধ্যমে জুমার খুতবা, নিয়মিত ধর্মীয় সেমিনার এবং সম্প্রীতি সভার আয়োজন করা হচ্ছে। এসব কর্মসূচিতে উগ্রবাদ ও গুজবের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে তরুণদের সচেতন করা হয়।
তিনি আরও জানান, সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি জোরদারে বিভিন্ন ধর্মের নেতাদের অংশগ্রহণে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ ও সম্প্রীতি সমাবেশ নিয়মিত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের পরামর্শ ও সক্রিয় সহযোগিতায় তরুণদের জন্য নৈতিক শিক্ষা ও সামাজিক সম্প্রীতিবিষয়ক এসব কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে পুরোহিত ও সেবাইতদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। একইভাবে ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সামাজিক বিভাজন প্রতিরোধে ছাত্র-যুবকদের জন্য নীতি-নৈতিকতাবিষয়ক কর্মশালার আয়োজন ও বাস্তবায়ন করে আসছে খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট।
এ ছাড়া ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতা বৃদ্ধিকরণ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও সংসদকে জানান তিনি।
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- BANZI নির্বাচন: জয়-পরাজয়ের বাইরে কমিউনিটির আমানত ও প্রত্যাশা
- প্রজ্ঞাপনের আগে পে স্কেলের বেতন তালিকা
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফল আজ
- পে স্কেল নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি দিল অর্থ মন্ত্রণালয়
- সাত কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফরম পূরণ স্থগিত
- দুর্নীতিবাজ-সন্ত্রাসীদের দলে জায়গা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ রিলিজ স্লিপের ফল প্রকাশ
- জুলাই থেকেই কার্যকর নতুন পে স্কেল, বকেয়া পাবেন যেভাবে
- জেনে নিন একাদশ-আলিমে ভর্তির আবেদন পদ্ধতি
- হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষে ৪৩ জনের চাকরির সুযোগ
- ফের কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ৭১১৫ টাকা
- ঢাবিসহ ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ
- আজ ঢাকায় সর্বোচ্চ লোডশেডিং, কোন এলাকায় কত
- এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুখবর
- আজকের খেলার সময়সূচি (৩১ আগস্ট)