ঢাকা, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
পরীক্ষা পরিচালনায় শিক্ষক-কর্মচারীদের সম্মানি বাড়াল সরকার
নিজস্ব প্রতিবেদক: পরীক্ষা পরিচালনার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মানির হার বৃদ্ধি করেছে সরকার। একই সঙ্গে উত্তরপত্র নিরীক্ষণ, ওএমআর টপশিট এবং লিথোগ্রাফিক কোডিং-ডিকোডিংসহ কয়েকটি নতুন ব্যয় খাত সংযোজন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।
পরিপত্র অনুযায়ী, প্রশ্নপত্র প্রণয়নের জন্য জনপ্রতি সম্মানি আগের মতোই ৬ হাজার টাকা বহাল রাখা হয়েছে। বিভাগীয় নির্বাচন বা পদোন্নতি কমিটির সদস্যরা প্রতি সভায় জনপ্রতি ৬ হাজার টাকা এবং মৌখিক বা ব্যবহারিক পরীক্ষা বোর্ডের সদস্য ও বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন জনপ্রতি ৬ হাজার টাকা সম্মানি পাবেন।
উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে পূর্ণ উত্তরপত্র পরীক্ষণের জন্য প্রতিটি খাতায় ১৩০ টাকা এবং পূর্ণ অবজেকটিভ টাইপ উত্তরপত্র পরীক্ষণের জন্য প্রতিটি খাতায় ৩৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। তবে নতুন করে উত্তরপত্র নিরীক্ষণের জন্য প্রতিটি খাতায় ১৫ টাকা সম্মানি নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরীক্ষা পরিচালনায় প্রত্যক্ষভাবে সম্পৃক্ত কর্মচারীদের সম্মানিও বাড়ানো হয়েছে। নতুন হার অনুযায়ী, নবম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মচারীরা প্রতিদিন ১ হাজার ৮০০ টাকা পাবেন, যা আগে ছিল ১ হাজার ২০০ টাকা। দশম থেকে ১৬তম গ্রেডের কর্মচারীদের সম্মানি ১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ২০০ টাকা করা হয়েছে। আর ১৭তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এ হার ৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া খাতা পুনর্মূল্যায়নের জন্য প্রতিটি খাতায় ৫০ টাকা, লিখিত পরীক্ষার ভেন্যুর প্রতিষ্ঠানপ্রধান বা তাঁর মনোনীত সমন্বয়কারীকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং লিখিত পরীক্ষা কেন্দ্রের পরিদর্শককে প্রতিদিন ১ হাজার ৮০০ টাকা সম্মানি আগের মতোই বহাল রাখা হয়েছে।
নতুন পরিপত্রে লিখিত পরীক্ষার আসনবিন্যাস বাবদ পরীক্ষার্থীপ্রতি ৩ টাকা, উত্তরপত্র প্রস্তুত (কাগজসহ) বাবদ পরীক্ষার্থীপ্রতি ১২ টাকা এবং প্রশ্নপত্র তৈরি, কাগজ, ডুপ্লিকেটিং মেশিন ভাড়া (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ও কালি বাবদ পরীক্ষার্থীপ্রতি ৫ টাকা ব্যয়ের বিধান রাখা হয়েছে। আগে উত্তরপত্র প্রস্তুতের জন্য পরীক্ষার্থীপ্রতি ৬ টাকা নির্ধারিত ছিল।
এ ছাড়া নতুনভাবে ওএমআর টপশিট মুদ্রণ ও ক্রয়ের জন্য ইউনিটপ্রতি ২০ টাকা, লিথোগ্রাফিক কোডিং ও ডিকোডিংয়ের জন্য ইউনিটপ্রতি ৫ টাকা এবং প্রচলিত কোডিং ও ডিকোডিংয়ের জন্য ইউনিটপ্রতি ৪ টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, লিখিত, ব্যবহারিক বা মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন এবং উত্তরপত্র মূল্যায়নের সময় আপ্যায়ন ব্যয় সরকারের সর্বশেষ নির্দেশনা এবং ‘আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ-২০২৬’ অনুযায়ী নির্বাহ করতে হবে। প্রয়োজনে দুপুর বা রাতের খাবারের ব্যয় সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসারে বহন করা যাবে এবং নাস্তার জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ দুইবার ব্যয় করা যাবে।
এ ছাড়া ট্রাঙ্ক, তালা-চাবি, কাগজ, কলমসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিবিধ ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা ৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- BANZI নির্বাচন: জয়-পরাজয়ের বাইরে কমিউনিটির আমানত ও প্রত্যাশা
- প্রজ্ঞাপনের আগে পে স্কেলের বেতন তালিকা
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফল আজ
- পে স্কেল নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি দিল অর্থ মন্ত্রণালয়
- সাত কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফরম পূরণ স্থগিত
- দুর্নীতিবাজ-সন্ত্রাসীদের দলে জায়গা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ রিলিজ স্লিপের ফল প্রকাশ
- জুলাই থেকেই কার্যকর নতুন পে স্কেল, বকেয়া পাবেন যেভাবে
- জেনে নিন একাদশ-আলিমে ভর্তির আবেদন পদ্ধতি
- হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষে ৪৩ জনের চাকরির সুযোগ
- ফের কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ৭১১৫ টাকা
- ঢাবিসহ ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ
- আজ ঢাকায় সর্বোচ্চ লোডশেডিং, কোন এলাকায় কত
- এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুখবর
- আজকের খেলার সময়সূচি (৩১ আগস্ট)