ঢাকা, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
একীভূতকরণের বিপক্ষে সোচ্চার সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের অংশীজনরা
নিজস্ব প্রতিবেদক: সংকটে থাকা অন্যান্য ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে একীভূতকরণের সরকারি সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছেন সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর শেয়ারহোল্ডার, কর্মকর্তা এবং পরিচালকরা। তাদের দাবি, এই পদক্ষেপ গ্রাহক এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
সোমবার (০৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে তারা এই দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মেজর (অব.) এম রেজাউল হক বলেন, "এক সময় বন্দুকের নলের মুখে আমাদের এই ব্যাংক দখল করা হয়েছিল। এখন আবার এটিকে সরকারি খাতে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের অপরাধ কী? কোনো পরিস্থিতিতেই আমাদের ব্যাংক ছিনিয়ে নেওয়া যাবে না। আমরা আদালতে রিট আবেদন করেছি এবং সেটির সমাধান আগে করতে হবে। এটি অন্য কারো হাতে তুলে দেওয়া যাবে না।"
ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ চৌধুরী বলেন, "আমরা ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ীরা যদি একটি ব্যাংক চালাতে না পারে, তাহলে অন্যরা কীভাবে এটি পরিচালনা করবে? আমরাই এই ব্যাংক চালাব। এটি আমাদের সম্পদ। সরকার কি চাইলেই কারো বাড়ি বা সম্পত্তি নিয়ে নিতে পারে?"
সাবেক পরিচালক আসাদুজ্জামান বলেন, "আমরা অনেক কষ্টে এই ব্যাংকটি গড়ে তুলেছি। এটি প্রতিষ্ঠার জন্য বিদেশ থেকে টাকা এনেছিলাম। এখন কেন এটিকে জাতীয়করণ করা হবে?"
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রেখেছে। ২০০০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর থেকে এটি নিয়মিত ডিভিডেন্ড দিয়ে আসছে। তবে, ২০১৭ সালের পর ব্যবস্থাপনা পরিবর্তন এবং বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে ব্যাংকটি আর্থিক সংকটে পড়ে বলে তারা অভিযোগ করেন।
প্রতিষ্ঠাতা ও শেয়ারহোল্ডারদের অভিযোগ, ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক গঠিত নতুন পরিচালনা পর্ষদে মূল প্রতিষ্ঠাতা এবং শেয়ারহোল্ডারদের পর্যাপ্ত প্রতিনিধিত্ব নেই। এর ফলে গ্রাহকদের আস্থা কমেছে এবং আমানত উত্তোলনের পরিমাণ বেড়েছে।
তারা জোর দিয়ে বলেন, যদি মূল প্রতিষ্ঠাতা ও শেয়ারহোল্ডারদের নেতৃত্বে ব্যাংকটি পরিচালিত হয়, তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতায় এটি দ্রুত পুনরুদ্ধার হতে পারে। তারা আরও বলেন, তারা ক্ষুদ্রঋণ, এসএমই এবং ক্ষুদ্র-উদ্যোগ খাতে বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেবেন।
সরকার সম্প্রতি পাঁচটি দুর্বল শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংককে একীভূত করার একটি পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। এই ব্যাংকগুলো হলো: ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক এবং এক্সিম ব্যাংক। এর মধ্যে, প্রথম চারটি ব্যাংক একীভূতকরণ পরিকল্পনায় সম্মত হলেও, এক্সিম ব্যাংক আরও সময় চেয়েছে।
এএসএম/
শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ১ম টি-টোয়েন্টি-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা: দেখুন সবগুলো প্রশ্নের সঠিক সমাধান
- স্কুলছাত্রী থেকে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধার সাথে অন্তরঙ্গের পর ভিডিও কুয়েট ছাত্রের
- বিকালে আসছে ১৯ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- বুলগেরিয়ার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হলো ঢাবি শিক্ষার্থীর প্রামাণ্যচিত্র
- বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের সিনেট সদস্য হলেন ৫ সংসদ সদস্য
- বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১০০ ধাপ এগিয়েছে ঢাবি, যৌথভাবে দেশসেরা
- বদলে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম
- স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন
- এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে যা জানাল শিক্ষাবোর্ড
- ঢাবি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
- ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ বাসা থেকে উদ্ধার
- বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রে
- মিমোর মৃ'ত্যু ঘিরে সর্বশেষ যা জানা গেল
- ‘সিলটি’ ভাষাকে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা করার দাবি