ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
এলপিজি সরবরাহে কারসাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা: বাণিজ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক: এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে করণীয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট অপারেটরদের সঙ্গে আলোচনা করেছে সরকার। তবে এই অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ে বাজারে কারসাজি বা জনস্বার্থবিরোধী তৎপরতা চালানোর চেষ্টা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক বাজারের দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারিত একটি ফর্মুলা অনুসরণ করে প্রতি মাসে এলপিজির দাম ঠিক করা হয়। নিজেদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায়ে এলপিজি ডিলাররা চলতি সপ্তাহের শেষ দুই দিন ধর্মঘটের হুমকি দিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে বর্তমান ও আগামী বছরে এলপিজির সরবরাহ স্থিতিশীল রাখার উপায় নিয়ে অপারেটরদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে গৃহীত কৌশলের বিস্তারিত জানানোর সময় এখনো আসেনি।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এলপিজি মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় একটি পণ্য। এর সরবরাহ ও ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত কেউ বাজার কারসাজি, বাজারব্যবস্থার অপব্যবহার কিংবা জনস্বার্থের পরিপন্থী পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করলে সরকার কঠোর হাতে তা দমন করবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। কারণ, লাখ লাখ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এলপিজির সঙ্গে সরাসরি জড়িত।মন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়িক কার্যক্রমে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। লাভ-লোকসানের হিসাব কিংবা কমিশনের পরিমাণ নিয়ে মতবিরোধও হতে পারে। তবে এসব বাণিজ্যিক বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবসায়ীদের বক্তব্য ধৈর্যসহকারে শুনতে এবং তাঁদের সমস্যার সমাধানে প্রস্তুত রয়েছে। কিন্তু নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য বাজার পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করার চেষ্টা হলে সরকার তা প্রতিহত করবে।
বৈঠক শেষে এলপিজি-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান কবে হতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এলপিজি বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় না; পণ্যটি আমদানির ওপর নির্ভরশীল। দেশের বেসরকারি খাতের আমদানিকারকেরা সাধারণত যেসব অঞ্চল থেকে এলপিজি সংগ্রহ করেন, সেসব এলাকায় বর্তমানে যুদ্ধ পরিস্থিতি চলছে। এ কারণে তাঁদের বিকল্প আমদানির উৎস খুঁজতে হচ্ছে।তিনি আরও জানান, দীর্ঘমেয়াদে সরবরাহে ঘাটতি এড়ানো, বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং আগামী বছরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পর্যাপ্ত এলপিজি নিশ্চিত করার কৌশল নির্ধারণের লক্ষ্যেই বুধবারের বৈঠক হয়েছে।বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এর সঙ্গে খুচরা বিক্রেতাদের ধর্মঘটের হুমকির বিষয়টিও যুক্ত হয়েছে। তাঁদের মাধ্যমে খুচরা বিক্রেতাদের জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) তাঁদের সঙ্গে বৈঠক করছে। কমিশনের সঙ্গে তাঁদের বাণিজ্যিক বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে ফেলার সুযোগ রয়েছে। তবে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যকে কেন্দ্র করে দেশকে জিম্মি করার যেকোনো চেষ্টা সরকার মেনে নেবে না।
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ৬৪ জেলায় পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগ, আবেদন ১৩ অক্টোবর
- সরকারি বাঙলা কলেজে উপবৃত্তি আবেদনে শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রদলের নিরব
- আধুনিক প্রযুক্তিতে শিল্প এগিয়ে নিতে হবে: রিজভী
- এস আলমের কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল
- প্রবাসের ঠিকানা বদলায় শিকড়ের পরিচয় নয়
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স তৃতীয় বর্ষের রুটিন প্রকাশ, দেখুন এখানে
- ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানা গেল
- জাবির জঙ্গলে গভীর রাতে তিন নারীসহ পাঁচ বহিরাগত আটক
- ফ্যামিলি কার্ডের আশায় টিপসই দিয়ে ‘বিয়ে হয়ে গেল’ আছিয়ার
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৮ অক্টোবর)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১১ অক্টোবর)
- বিআরটিসির নতুন চেয়ারম্যান মীর আহমেদ তারিকুল ওমর
- বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাবির ২২ শিক্ষক-গবেষক
- বুয়েটে ২৪ পদে নিয়োগ, আবেদন ১১ নভেম্বর পর্যন্ত
- শেখ হাসিনার ফেরার ঘোষণায় দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযান