ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩
১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়ল
নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম প্রতি কেজিতে ২১ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ফলে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বেড়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা থেকে হয়েছে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। এর আগে গত মাসে এলপিজির দাম প্রতি কেজিতে ১৩ টাকা কমানো হয়েছিল।
রোববার নতুন এই দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নির্ধারিত দাম আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর এলপিজির দাম বাড়লেও যুদ্ধবিরতি শুরু হলে বিশ্ববাজারে এর দাম কমতে থাকে। গত দুই মাস ধরে দামে ওঠানামা চলার পর চলতি মাসে আবার বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা গেছে।
এদিকে গত তিন সপ্তাহ ধরে বাজারে এলপিজির সরবরাহ চাহিদার তুলনায় কম রয়েছে। এ কারণে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ববাজারে এলপিজির দাম বাড়তে শুরু করে। এর প্রভাব পড়ে দেশেও। গত এপ্রিলে দেশের ইতিহাসে এলপিজির দাম সবচেয়ে বেশি বাড়ানো হয়। ওই মাসের শুরুতে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়ানো হয়। পরে ১৯ এপ্রিল আবার ২১২ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। তবে জুন ও জুলাইয়ে টানা দুই মাস দেশে এলপিজির দাম কমানো হয়।
বিইআরসি জানিয়েছে, বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার রয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি কেজি এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫৩ টাকা ৬ পয়সা। এই দর অনুযায়ী বিভিন্ন আকারের সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে। আগে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ছিল ১৩২ টাকা ১২ পয়সা।
প্রতি মাসে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে বিইআরসি। তবে নির্ধারিত দামে বাজারে এলপিজি বিক্রি না হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। গৃহস্থালির কাজে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার। অভিযোগ রয়েছে, বিক্রেতারা প্রতি সিলিন্ডারে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি অর্থ নিচ্ছেন। গ্যাস সংকটের কারণে বাসায় রান্নার জন্য অনেকেই এলপিজি সিলিন্ডারের ওপর নির্ভর করছেন।
সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা সাড়ে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজি বা অটো গ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগে এই দাম ছিল ৭৩ টাকা ৯ পয়সা।
২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি উৎপাদনের প্রধান উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো প্রতি মাসে এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে, যা সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত।
এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালানের (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দামও হিসাব করে সংস্থাটি।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ৬৪ জেলায় পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগ, আবেদন ১৩ অক্টোবর
- আধুনিক প্রযুক্তিতে শিল্প এগিয়ে নিতে হবে: রিজভী
- এস আলমের কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল
- প্রবাসের ঠিকানা বদলায় শিকড়ের পরিচয় নয়
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স তৃতীয় বর্ষের রুটিন প্রকাশ, দেখুন এখানে
- প্রধান শিক্ষক নিয়োগে হাইকোর্টের রায় স্থগিত
- জাবির জঙ্গলে গভীর রাতে তিন নারীসহ পাঁচ বহিরাগত আটক
- ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানা গেল
- ফ্যামিলি কার্ডের আশায় টিপসই দিয়ে ‘বিয়ে হয়ে গেল’ আছিয়ার
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৮ অক্টোবর)
- দৈনন্দিন একাডেমিক কার্যক্রম সহজকরণে 'ক্লাসট্যাবলেট'
- বুয়েটে ২৪ পদে নিয়োগ, আবেদন ১১ নভেম্বর পর্যন্ত
- শেখ হাসিনার ফেরার ঘোষণায় দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযান
- বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাবির ২২ শিক্ষক-গবেষক
- বিআরটিসির নতুন চেয়ারম্যান মীর আহমেদ তারিকুল ওমর