ঢাকা, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩
অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই দুর্গাপূজার মূল দর্শন: রাষ্ট্রপতি
নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্যায়, অত্যাচার, অসততা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে সেগুলো পরাজিত করাই দুর্গাপূজার মূল শিক্ষা বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে অসুরের আবির্ভাব ঘটেছে, তবে এ দেশের মানুষ তাদের পরাজিত করেছে।
আজ রোববার শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে রাজধানীর রমনা কালীমন্দির পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় তিনি দুর্গাপূজার মূল দর্শন এবং বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয়টি তুলে ধরেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্বজুড়ে যখন সংঘাত, হানাহানি ও হিংসা-বিদ্বেষ চলছে, তখন বাংলাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্যাপন করতে পারছেন। তাঁর মতে, এটি দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহাবস্থানের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি বলেন, ‘জোর গলায় বলতে পারি, বাংলাদেশে যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আছে তা বিশ্বের আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নাই।’
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এই উৎসব ন্যায়, শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণের শিক্ষা দেয়।’
রমনা কালীমন্দিরের ইতিহাস প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ১৯৭১ সালে মন্দিরটি ধ্বংস করার চেষ্টা হয়েছিল। পরে ১৯৭৩ সালে এটি ধ্বংস করা হয়। তিনি বলেন, ‘যারা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে, তাদের হাতেই এই অপকর্ম হয়েছিল।’
রাষ্ট্রপতি জানান, ২০০১ সালে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে রমনা কালীমন্দির পুনঃস্থাপন করা হয়। এরপর থেকে মন্দিরটিকে আবার পুরোনো ঐতিহ্যে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।
এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি।
দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয়ে সবসময় অপব্যাখ্যা দেওয়া হয়, অপপ্রচার করা হয়। বর্তমানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের যে সকল সমস্যা আছে, সেগুলো সমাধানে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে।’
অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, রমনা মন্দিরের সভাপতি অর্পনা রায় দাস এবং সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্য।
অনুষ্ঠানে রমনা মন্দিরের সদস্য সুভাষ চন্দ্র দাস রাষ্ট্রপতিকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিবসহ বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- মাস্টারদা সূর্য সেন হল অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক পলাশ
- সরকারি বাঙলা কলেজে উপবৃত্তি আবেদনে শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রদলের নিরব
- ৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল
- নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ৭০ শতাংশের ভিসা প্রত্যাখ্যান, বাড়ছে উদ্বেগ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৬ অক্টোবর)
- বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডে ৭ ক্যাটাগরিতে ৩৮ পদে নিয়োগ
- আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে ২২৮ পদে নিয়োগ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১২ অক্টোবর)
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে ভর্তির আবেদন শুরু আজ
- ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস
- আড়ংয়ে পার্টটাইম চাকরির সুযোগ, থাকছে যেসব সুযোগ-সুবিধা
- এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারীর সাক্ষাৎ
- বিআইডব্লিউটিসি ও মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই
- ভারতকে ৩ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ
- সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান