ঢাকা, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩
কলকাতার পূজামণ্ডপে পদদলিত হয়ে নিহত ১৯, চার সড়কে নিষেধাজ্ঞা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার চোরবাগান পূজামণ্ডপে পদদলিত হয়ে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ১৯ জনে পৌঁছেছে। এ ঘটনার পর শহরের নিরাপত্তা ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে সতর্কতা জোরদার করেছে পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উত্তর ও মধ্য কলকাতার চারটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নির্দিষ্ট অংশে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) থেকে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে। এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি করেছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা।পুলিশ জানিয়েছে, শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে নির্দেশিকায় চোরবাগান পূজামণ্ডপের দুর্ঘটনার কথা সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি। নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত সড়কগুলো অবশ্য ওই পূজামণ্ডপের কাছাকাছি।যেসব সড়কে বিধিনিষেধ
পুলিশের নির্দেশনা অনুযায়ী, চারটি সড়কের নির্দিষ্ট অংশে বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে। এগুলো হলো—1. কলেজ স্ট্রিটের কলুটোলা স্ট্রিট থেকে ইডেন হাসপাতাল রোড পর্যন্ত অংশ।2. চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউয়ের কলুটোলা স্ট্রিট থেকে ইডেন হাসপাতাল রোড পর্যন্ত অংশ।3. কলুটোলা স্ট্রিটের কলেজ স্ট্রিট থেকে চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ পর্যন্ত অংশ।4. ইডেন হাসপাতাল রোডের চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ থেকে কলেজ স্ট্রিট পর্যন্ত অংশ।
নির্দেশিত এলাকাগুলোতে পাঁচ বা তার বেশি মানুষের বেআইনি জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে লাঠি কিংবা শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করতে পারে এমন কোনো বস্তু বা অস্ত্র নিয়ে চলাচলের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
তবে এই নির্দেশনার আওতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পুলিশ স্পষ্ট করেছে, পুরো বৌবাজার থানা এলাকায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না; কেবল নির্দেশিকায় উল্লেখ করা চারটি সড়কের নির্ধারিত অংশেই তা বলবৎ থাকবে।
গত শনিবার চোরবাগান দুর্গাপূজা মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ব্যাপক ভিড় হয়েছিল। ওই সময় বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর একটি ঘোষণা ঘিরে দর্শনার্থীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয় বলে প্রাথমিক খবরে জানা গেছে। এতে পদদলিত হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। এ ঘটনায় শিশুসহ বহু মানুষ হতাহত হন।
দুর্গাপূজার বাকি দিনগুলোতে এ ধরনের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে প্রশাসন। তবে শুধু সড়কে নিষেধাজ্ঞা বা জমায়েত নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপই যথেষ্ট কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, উৎসবের সময় দর্শনার্থীদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ, জরুরি নির্গমনপথ খোলা রাখা এবং ঘোষণার মাধ্যমে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।পুলিশের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সম্ভাব্য শান্তিভঙ্গ রোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত বিধিনিষেধ বহাল থাকায় সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও দর্শনার্থীদের চলাচলে সতর্ক থাকতে হবে। ওই সড়কগুলো দিয়ে যাতায়াতের সময় পুলিশের নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- মাস্টারদা সূর্য সেন হল অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক পলাশ
- সরকারি বাঙলা কলেজে উপবৃত্তি আবেদনে শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রদলের নিরব
- ৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল
- নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ৭০ শতাংশের ভিসা প্রত্যাখ্যান, বাড়ছে উদ্বেগ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৬ অক্টোবর)
- বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডে ৭ ক্যাটাগরিতে ৩৮ পদে নিয়োগ
- আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে ২২৮ পদে নিয়োগ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১২ অক্টোবর)
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে ভর্তির আবেদন শুরু আজ
- ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস
- আড়ংয়ে পার্টটাইম চাকরির সুযোগ, থাকছে যেসব সুযোগ-সুবিধা
- এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারীর সাক্ষাৎ
- বিআইডব্লিউটিসি ও মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই
- ভারতকে ৩ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ
- সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান