×

ঢাকা, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

‘মোহাম্মদ’ নাম নিয়ে ট্রাম্পের ঠাট্টা

২০২৬ অক্টোবর ১৭ ১২:৪৪:৫০

‘মোহাম্মদ’ নাম নিয়ে ট্রাম্পের ঠাট্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুসলিম বিশ্বে ‘মোহাম্মদ’ নামের ব্যাপক প্রচলন নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ডালটন শহরে এক নির্বাচনি সমাবেশে ইরানের প্রেসিডেন্ট পদ নিয়ে কথা বলার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। তবে তাঁর এই ঠাট্টায় উপস্থিত জনতার কাছ থেকে তেমন সাড়া মেলেনি। খবর রয়টার্সের।

ডালটন মিউনিসিপ্যাল বিমানবন্দরের একটি বিমানের হ্যাঙ্গারে আয়োজিত ওই সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের কারও নাম নিয়ে সন্দেহ হলে শুধু ‘মোহাম্মদ’ বলে ডাকুন। আপনার প্রায় ৬৫ শতাংশ সম্ভাবনা থাকবে ঠিক হওয়ার। বলুন, ‘হ্যালো, মোহাম্মদ’। আমি বছরের পর বছর ধরে এমনটা করে আসছি। কখনো ভুল হয়নি।’

মুসলিম বিশ্বে পুরুষদের অন্যতম প্রচলিত নাম মোহাম্মদ। ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নাম অনুসরণ করে বহু মুসলিম পরিবার তাদের ছেলেসন্তানের নাম এ নামে রাখেন।

আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে প্রচার চালাতে জর্জিয়ায় গিয়েছিলেন ট্রাম্প। সমাবেশে ইরান প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ইরানই একমাত্র দেশ, যেখানে কেউ প্রেসিডেন্ট হতে চায় না।’

এরপর কয়েকজন ‘মোহাম্মদ’ নামের ব্যক্তিকে কাল্পনিকভাবে প্রশ্ন করার ভঙ্গি করেন ট্রাম্প। তাঁরা ইরানের প্রেসিডেন্ট হতে চান কি না, সে বিষয়ে ঠাট্টা করেন তিনি। ইরানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ২০২৪ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করছেন।

ট্রাম্পের বক্তব্য নিয়ে অতীতেও সমালোচনা করেছেন মানবাধিকারকর্মী ও মুসলিম অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন। তাদের অভিযোগ, ট্রাম্পের বক্তব্যে মুসলিম, অভিবাসী ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয় এবং তাঁদের নিয়ে বিদ্রূপ করা হয়।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচার চলাকালে ট্রাম্প এ ধরনের বক্তব্য আরও জোরালো করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে সোমালি বংশোদ্ভূত ও মুসলিম মার্কিন নাগরিকদের নিয়ে তাঁর মন্তব্য সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

সমালোচনার মুখে পড়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন মুসলিম ডেমোক্র্যাট সিনেট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদ এবং মিনেসোটার ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি ইলহান ওমর। সোমালিয়ার শরণার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আসা ইলহান ওমর দেশটির কংগ্রেসের একজন সদস্য।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (সিএআইআর) চলতি বছরের শুরুর দিকে প্রকাশিত এক বার্ষিক প্রতিবেদনে দেশটিতে ইসলামবিদ্বেষ বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরে।

প্রতিবেদনটিতে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে অভিবাসনবিরোধী কঠোর পদক্ষেপ এবং ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ দমনের উদ্যোগকে যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামবিদ্বেষ বৃদ্ধির পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

ইমামুল

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৬ অক্টোবর)

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৬ অক্টোবর)

ডুয়া ডেস্ক: বিশ্ববাজারের পরিস্থিতির প্রভাবে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দামে পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে সর্বশেষ ৩ হাজার ২৬৬... বিস্তারিত