ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
এআই ও প্রযুক্তিতে দক্ষতা বাড়াতে শিক্ষকদের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীদের যথাযথভাবে পাঠদান করতে শিক্ষকদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে গভীর জ্ঞান থাকা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর এই যুগে এআইয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। তথ্যপ্রযুক্তিতে শিক্ষার্থীরা এখন অনেক দক্ষ, তাই তাদের উপযুক্ত শিক্ষা দিতে শিক্ষকদেরও প্রযুক্তিগত জ্ঞান বাড়াতে হবে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে (আরডিএ) ‘৪৯তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
নবনিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘যে শিক্ষার্থী পেছনের বেঞ্চে বসে থাকে এবং প্রশ্ন করার সাহস পায় না, তাকে প্রশ্ন করার সুযোগ করে দেওয়াই একজন আদর্শ শিক্ষকের প্রধান দায়িত্ব।’
শিক্ষা খাত ও শিক্ষকমণ্ডলীর সার্বিক উন্নয়নে গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন। একই সঙ্গে আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়তে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সব শিক্ষককে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে নবনিয়োগপ্রাপ্ত ৬১৩ জন কর্মকর্তা আট দিনব্যাপী এই ওরিয়েন্টেশন কোর্সে অংশ নিচ্ছেন।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের (রুটিন দায়িত্ব) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড. সরদার মো. কেরামত আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবি, মাউশি মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এবং আরডিএ বগুড়ার ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মো. আব্দুল মজিদ প্রামানিক।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির (নায়েম) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. ওয়াসিম মো. মেজবাহুল হক।
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শিক্ষামন্ত্রী জানান, এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দু’টি বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য ফল প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হওয়া ঠেকানো সম্ভব হবে। তবে পুনঃপরীক্ষাতেও যারা উত্তীর্ণ হতে পারবে না, তাদের কারিগরি বা ভোকেশনাল শিক্ষাধারায় স্থানান্তরের পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি।
পরে বগুড়া, নেত্রকোনা ও কক্সবাজার জেলার ১০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন করে ‘খান একাডেমি, বাংলাদেশ’-এর শিক্ষা সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী। এ ছাড়া আরডিএ ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে একটি স্মারক বৃক্ষরোপণ করেন তিনি।
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ৬৪ জেলায় পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগ, আবেদন ১৩ অক্টোবর
- সরকারি বাঙলা কলেজে উপবৃত্তি আবেদনে শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রদলের নিরব
- আধুনিক প্রযুক্তিতে শিল্প এগিয়ে নিতে হবে: রিজভী
- এস আলমের কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল
- প্রবাসের ঠিকানা বদলায় শিকড়ের পরিচয় নয়
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স তৃতীয় বর্ষের রুটিন প্রকাশ, দেখুন এখানে
- ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানা গেল
- প্রধান শিক্ষক নিয়োগে হাইকোর্টের রায় স্থগিত
- জাবির জঙ্গলে গভীর রাতে তিন নারীসহ পাঁচ বহিরাগত আটক
- ফ্যামিলি কার্ডের আশায় টিপসই দিয়ে ‘বিয়ে হয়ে গেল’ আছিয়ার
- বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাবির ২২ শিক্ষক-গবেষক
- বিআরটিসির নতুন চেয়ারম্যান মীর আহমেদ তারিকুল ওমর
- দৈনন্দিন একাডেমিক কার্যক্রম সহজকরণে 'ক্লাসট্যাবলেট'
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৮ অক্টোবর)
- বুয়েটে ২৪ পদে নিয়োগ, আবেদন ১১ নভেম্বর পর্যন্ত