×

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সুপার এল নিনোর প্রভাবে ২০২৬ সাল হতে পারে ইতিহাসের উষ্ণতম বছর

২০২৬ অক্টোবর ১৩ ১৪:৩১:৪৫

সুপার এল নিনোর প্রভাবে ২০২৬ সাল হতে পারে ইতিহাসের উষ্ণতম বছর

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিশালী হয়ে ওঠা ‘সুপার এল নিনো’র প্রভাবে ২০২৬ সাল বিশ্বের ইতিহাসে উষ্ণতম বছর হয়ে উঠতে পারে। এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা কোপার্নিকাসের পরিচালক কার্লো বুয়োনতেম্পো।

সোমবার (১২ অক্টোবর) তিনি বলেন, অতীতে এল নিনোর প্রভাব যেভাবে দেখা গেছে, সেই ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২৬ সালে তাপমাত্রার আগের রেকর্ড ভেঙে যেতে পারে। এমনকি ২০২৭ সালেও নতুন তাপমাত্রার রেকর্ড গড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এল নিনো প্রাকৃতিক জলবায়ু চক্রের একটি উষ্ণ পর্যায়। এ সময় গ্রীষ্মমণ্ডলীয় প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা সাময়িকভাবে বৃদ্ধি পায়। এর ফলে আবহাওয়ার স্বাভাবিক ধরনে পরিবর্তন আসতে পারে এবং খরা ও বন্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে। একই সঙ্গে মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবও আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে।

কোপার্নিকাসের তথ্য অনুযায়ী, প্রশান্ত মহাসাগরে এল নিনো পর্যবেক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা নিনো ৩.৪-এ গত সেপ্টেম্বরে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ২৯ দশমিক ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠেছে। অঞ্চলটির জন্য এটিই সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড। এর আগে ১৯৮২-৮৩, ১৯৯৭-৯৮ ও ২০১৫-১৬ সালের শক্তিশালী এল নিনো পর্বেও তাপমাত্রা এতটা বাড়েনি।

চলতি বছরের জুনে এল নিনোর বর্তমান পর্ব শুরু হয়। তবে এটি ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সময় এখনো আসেনি বলে জানিয়েছেন বুয়োনতেম্পো। তাঁর ভাষ্য, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রের তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে সাম্প্রতিক এল নিনোর সঙ্গে অতীতের ঘটনাগুলোর তুলনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এদিকে, জাপানের আবহাওয়া সংস্থা শুক্রবার জানিয়েছে, এল নিনো পরিস্থিতি রেকর্ডে থাকা সর্বোচ্চ তীব্রতায় পৌঁছেছে। তবে এল নিনোর তীব্রতা পরিমাপের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পূর্বাভাসদাতা সংস্থা একই ধরনের সূচক ব্যবহার করে না।

ইমামুল

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত