×

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

কিউআর কোডযুক্ত স্মার্ট আইডি কার্ড পাচ্ছেন ঢাবির শিক্ষার্থীরা

২০২৬ জুন ২৯ ১৮:২১:৩৫

কিউআর কোডযুক্ত স্মার্ট আইডি কার্ড পাচ্ছেন ঢাবির শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি। শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দ্রুত তথ্য যাচাইয়ের সুবিধা দিতে প্রথম বর্ষের সব শিক্ষার্থীর জন্য কিউআর কোডযুক্ত বিশেষ ‘স্মার্ট আইডি কার্ড’ চালু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই কিউআর কোডভিত্তিক ভেরিফিকেশন সিস্টেমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল সুবিধা পাবেন।

সোমবার (২৯ জুন) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের বার্ষিক সিনেট অধিবেশনে এ তথ্য জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

অভিভাষণে উপাচার্য বলেন, প্রতিটি স্মার্ট আইডি কার্ডে একটি অনন্য কিউআর কোড সংযুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পরিচয় ও তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়া শতভাগ নির্ভুল এবং আরও দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ওএমএস) গড়ে তোলা হয়েছে। ফলে এখন থেকে ঘরে বসেই সার্টিফিকেট, মার্কশিট ও ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলনের কার্যক্রম আরও সহজ, দ্রুত এবং স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করা যাবে।

এ ছাড়া নতুন গ্র্যাজুয়েটদের জন্য চালু করা হয়েছে বিশেষ ‘গ্র্যাজুয়েট পোর্টাল’। এই পোর্টালের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন, ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনা এবং তথ্য হালনাগাদের মতো প্রশাসনিক কাজগুলো অনলাইনেই সম্পন্ন করা যাবে বলে জানান তিনি।

বর্তমান সময়ে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ক্রমেই তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠছে উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে আউটকাম-বেজড এডুকেশন (ওবিই) ভিত্তিক ‘লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (এলএমএস) এবং ‘এক্সাম ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (ইএমএস) উন্নয়নের কাজ চলমান রয়েছে। এসব ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু হলে অনলাইন ক্লাস পরিচালনা, কোর্স ব্যবস্থাপনা এবং শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন প্রক্রিয়া আরও আধুনিক হবে।

তিনি আরও জানান, আইসিটি সেলের তৈরি কেন্দ্রীয় সাপোর্ট ও টিকিটিং সিস্টেমের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা অনলাইনে তাদের বিভিন্ন সমস্যা বা অভিযোগের দ্রুত সমাধান পাচ্ছেন।

প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসনিক উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতেও গুরুত্ব দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। উপাচার্য বলেন, তরুণ শিক্ষকদের পেশাগত উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) তত্ত্বাবধানে আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষক-প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে প্রভাষক বা সহকারী অধ্যাপক থেকে পরবর্তী ধাপে পদোন্নতির ক্ষেত্রে এই প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক বা আবশ্যক করা হবে।

ইমামুল হক প্রত্যয়

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত